Showing posts with label Adobe Flash. Show all posts
Showing posts with label Adobe Flash. Show all posts

Sunday, June 12, 2011

Flash Content: ফ্লাশের কোন সফটঅয়্যার ব্যবহার করবেন

এডবি ক্রিয়েটিভ স্যুইট এর সাথে অন্তত ৪টি সফটঅয়্যার দেয়া হয় ফ্লাশ কন্টেন্ট তৈরীর জন্য। এডবি ইনডিজাইন, ফ্লাশ প্রোফেশনাল, ফ্লাশ ক্যাটালিষ্ট এবং ফ্লাশ বিল্ডার। এছাড়া ইলাষ্ট্রেটর ব্যবহার করে ফ্লাশ কন্টেন্ট তৈরী করা যায়। কাজেই আপনার প্রশ্ন থাকতেই পারে কখন কোন সফটঅয়্যার ব্যবহার করবেন।
ইলাষ্ট্রেটরকে ফ্লাশের ক্ষেত্রে তার সীমিত ব্যবহারের কারনে হিসেবের বাইরে রাখতে পারেন। বাকি ৪টি সফটঅয়্যার কোন কাজের জন্য বেশি উপযোগি দেখে নেয়া যাক।

Sunday, May 22, 2011

ফ্লাশ মুভি থেকে ওয়েব পেজ, Flash web design

ফ্লাশ মুভি শব্দ শুনে ফ্লাশ ফরম্যাটের ভিডিও বলে ভুল করবেন না। আসলে ম্যাক্রোমিডিয়া যখন তাদের মাল্টিমিডিয়া অথরিং সফটঅয়্যার ডিরেক্টর এবং পরবর্তীতে ফ্লাশ তৈরী করে তখন এই সফটঅয়্যারে তৈরী প্রজেক্টএর নাম দেয়া হয় মুভি। অর্ধাত আপনি ডিরেক্টর বা ফ্লাশে যে কাজ করছেন সেটাই মুভি। অন্যদিকে ফ্লাশ ভিডিও কুইকটাইম, এভিআই এর মত আরেক ধরনের ধরনের ভিডিও।
ফ্লাশে টেক্সট, ইমেজ, বাটন ইত্যাদি ব্যবহার করার পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। আপনি সেগুলি ব্যবহার করে পছন্দমত কিছু তৈরী করলেন। তাকে ওয়েবসাইট হিসেবে ব্যবহার করতে চান। ইন্টারনেট ব্রাউজারগুলি সরাসরি ফ্লাশ ফরম্যাট ব্যবহার করে না। এজন্য এইচটিএমএল প্রয়োজন হয়। এই ব্যবস্থা রয়েছে ফ্লাশের সাথেই। ফ্লাশ প্লেয়ার ব্যবহার, সরাসরি ব্যবহার, ইন্টারনেটে ব্যবহার থেকে শুরু করে আরো নানারকম কাজে লাগানো যায় ফ্লাশের কাজকে। এই বিষয়গুলি উল্লেখ করা হচ্ছে এখানে।

Saturday, May 14, 2011

ফ্লাশ ওয়েবসাইট তৈরী

ফ্লাশ ব্যবহার করে অত্যন্ত দৃষ্টিনন্দন ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। ফ্লাশের এনিমেশন, ইন্টারএকটিভিটি সহ যাকিছু ব্যবস্থা রয়েছে সবই কাজ করবে সেই ওয়েব সাইটে। ওয়েবসাইট তৈরীর জন্য শুরুতেই আপনাকে ঠিক করে নিতে হয় সাইটের সাধারন বৈশিষ্টগুলি। সেগুলি কিভাবে করবেন জেনে নিন।
যে ফোল্ডারে কাজ করবেন তার অধীনে দুটি ফোল্ডার তৈরী করে নিন। একটি কাজ করার সময় ব্যবহারের জন্য আরেকটি কাজ শেষে চুড়ান্ত ফাইলগুলির জন্য। এগুলির নাম হতে পারে my_website এবং Working । আপনার কাজের সময় যাকিছু ইমেজ বা অন্যান্য ফাইল ব্যবহার করা হবে সেগুলি working ফোল্ডারে কপি করুন।

Saturday, May 7, 2011

ফ্লাশ ওয়েবসাইট তৈরী : টেক্সট ব্যবহার

ফ্লাশে ওয়েবসাইট তৈরী করুন অথবা প্রেজেন্টেশন তৈরী করুন, সেখানে টাইটেল থেকে শুরু করে মুল লেখা পর্যন্ত নানাধরনের টেক্সট প্রয়োজন হয়। ফ্লাশে টাইটেলের মত একটি শব্দ বা বাক্য, এক লাইন কিংবা প্যারাগ্রাফ টেক্সট ব্যবহার করা যায় খুব সহজেই। এক প্যারাগ্রাফের সাথে আরেক প্যারাগ্রাফ লিংক করে ব্যবহার করা যায়, ফলে অতিরিক্ত টেক্সট পরবর্তী টেক্সট বক্সের সাথে যুক্ত থাকবে। লেখার পরিবর্তন করলে সাথেসাথে দুটি বক্সেই আপডেট হবে।
কিভাবে টেক্সট ব্যবহার করবেন জেনে নিন।

Thursday, May 5, 2011

ফ্লাশ টিউটোরিয়াল : মাস্ক ব্যবহার

মাস্ক একধরনের অবজেক্ট যা অন্য অবজেক্টের নির্দিষ্ট অংশ দেখায়। মাস্ককে বাস্তবের মুখোসের সাথে তুলনা করতে পারেন, মুখে মুখোস পড়লে যেমন শুধুমাত্র চোখ দেয়া যায়, ঠিক তেমনি।
ফ্লাশে মাস্ক ব্যবহার করা হয় দুটি কারনে। যদি কোন ইমেজ বা ভিডিওর নির্দিষ্ট অংশ দেখাতে চান, বাকি অংশ দেখা যাবে না এমন কাজের জন্য। আর ফ্লাশ মুভি তৈরীর সময় অনেকক্ষেত্রেই বিভিন্ন এলিমেন্ট ষ্টেজের বাইরে থাকতে পারে। ফ্লাশ প্লেয়ারে ব্যবহারের সময় সেগুলিও দেখা যাবে। শুধুমাত্র ষ্টেজের অংশটুকু দেখার নিশ্চিত করতে ষ্টেজের মাপের একটি মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।

Friday, April 29, 2011

ফ্লাশ এনিমেশন : এনিমেটেড মুভি ক্লিপ তৈরী ও ব্যবহার

মুভি ক্লিপ এক ধরনের সিম্বল যারমধ্যে এনিমেশন থাকে। অন্যকথায় এটা নিজেই একটি এনিমেশন যাকে অন্য এনিমেশনের সাথে সিম্বল হিসেবে ব্যবহার করা যায়। একটি উদাহরন দিয়ে দেখা যাক, আপনি একজন মানুষের হেটে যাওয়ার এনিমেশন তৈরী করছেণ। পৃথক পৃথকভাবে হাত, পা, শরীর, মাথা ইত্যাদি দিয়ে মানুষটি তৈরী। এদেরকে সঠিকভাবে বসিয়ে আপনি নিশ্চয়ই আপনি এনিমেট করতে পারেন বিভিন্ন ধরনের টুইন এবং বোন ব্যবহার করে। যদি দেখাতে চান হাটার সময় বাতাসে তার নড়ছে তাহলে ? কিংবা একটি পাখি উড়ে যাওয়ার এনিমেশন তৈরী করতে চান যেখানে পাখির অবস্থান পরিবর্তনের সময় ডানা নড়বে।
এনিমেশনের ভাষায় একে বলে সেকেন্ডারী মোশন। কাজটি আপনি যেভাবে করতে পারেন তা হচ্ছে তার চুল তৈরীর সময় কয়েকটি ফেমে এনিমেট করে তাকে মুভি ক্লিপ সিম্বল হিসেবে তৈরী করুন। এরপর তাকে মানানসই যায়গায় বসিয়ে দিলে মুল এনিমেশনের সাথে সাথে এই সিম্বলের এনিমেশনও কাজ করবে।

Thursday, April 28, 2011

ফ্লাশ ইন্টারএকটিভিটি : বাটন তৈরী

ফ্লাশ ব্যবহার করে ওয়েব সাইট তৈরী করুন অথবা মাল্টিমিডিয়া বা গেম তৈরী করুন, সেখানে ইন্টারএকটিভিটির জন্য বাটন তৈরী প্রয়োজন। বাটন এমন এমন একটি যায়গা যেখানে ক্লিক করলে কিছু ঘটে। কাজেই আপনাকে যা করতে হয় তা হচ্ছে, বাটন হিসেবে ইমেজ বা টেক্সট ব্যবহার করা, সেখানে মাউস পয়েন্টার আনলে কোনভাবে ইউজারকে জানানো সেটি একটি বাটন, এবং সেখানে ক্লিক করলে যে কাজ হবে সেজন্য কোড ব্যবহার। এখন পর্যন্ত ফ্লাশের যে টিউটোরিয়ালগুলি উল্লেখ করা হয়েছে তাতে কোন কোড ব্যবহার করা হয়নি। আপাতত জেনে রাখুন, কোড সরাসরি টাইপ করে দিতে পারেন, অথবা সহজ কিছু কোড সরাসরি মেনু থেকে প্রয়োগ করতে পারেন।

প্রাথমিক একটি  বাটন তৈরী করে দেখা যাক।

Friday, April 22, 2011

ফ্লাশ ক্যারেকটার এনিমেশন : বোন টুল ব্যবহার

থ্রিডি ক্যারেকটার এনিমেশনের জন্য বোন টুল একটি প্রচলিত পদ্ধতি। একটি হাত সরানোর পদ্ধতিকে উদাহরন হিসেবে ভাবতে পারেন। একটি হাত কোন বস্তুকে এক যায়গা থেকে তুলে আরেক যায়গায় রাখল। এজন্য বাহু থেকে আঙুল পর্যন্ত প্রতিটি অংশকে একের সাথে অন্যের মিল রেখে সরাতে হয়।  একটি একটি করে অংশগুলিকে সরানো যেমন কষ্টকর এবং সময়সাপেক্ষ, তেমনি ফলও খুব ভাল হয় না। এজন্য ইনভার্স কাইনেমেটিকস (Inverse Kinemetics, IK) নামে একটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে সত্যিকারের মানুষের হাত যেভাবে বিভিন্ন অংশ জোড়া দিয়ে তৈরী সেভাবে পৃথক পৃথক ড্রয়িংকে  (থ্রিডির ক্ষেত্রে মডেলকে) জোড়া দিয়ে আইকে-চেইন তৈরী করা হয়। এরপর এনিমেশনের জন্য আঙুলকে সরালে তারসাথে মিল রেখে এরসাথে সংযুক্ত অংশগুলি সরে। মুল অবজেক্টকে সংযুক্ত না করে বোন (Bone - হাড়) নামের একধরনের অবজেক্ট ব্যবহার করা হয় একাজে।
ফ্লাশের নতুন ভার্শনে ক্যারেকটার এনিমেশনের সুবিধের জন্য বোন টুল যোগ করা হয়েছে। ক্যারেকটার এনিমেশন বলতে শুধু মানুষের মত কিছু এনিমেট করতে হবে এমন কথা নেই, অন্য যেকোন কিছুকেই আইকে চেইন ব্যবহার করে সহজে এনিমেট করা যায়।

Tuesday, April 12, 2011

ফ্লাশ এনিমেশন টিউটোরিয়াল : মোশান টুইন এবং সেপ টুইন

টুডি এনিমেশন বা সেল এনিমেশনের সাধারন ধারনা হচ্ছে প্রতিটি ফ্রেম আপনাকে একে নিতে হবে। কাগজে একে স্ক্যান করাই হোক অথবা কম্পিউটারেই আকা হোক। ওয়াল্ট ডিজনি শুরু করেছিলেন হাতে আকা পদ্ধতিতে, বর্তমানে সবকাজই করা হয় কম্পিউটারে।
কম্পিউটারে টুডি এনিমেশনের সুবিধেগুলির একটি নিশ্চয়ই একই ছবিকে বারবার ব্যবহারের সুযোগ। কিন্তু সত্যিকারের সুবিধে হচ্ছে আপনাকে প্রতিটি ফ্রেম আকতে হয় না। একটি বল ওপর থেকে নিচে পড়ছে বিষয়টি ১ সেকেন্ড দেখানোর জন্য আপনার ২৫টি ফ্রেমে (বাংলাদেশের টিভির নিয়মে) ভিন্ন ভিন্ন যায়গায় ছবিটি আকা প্রয়োজন হওয়ার কথা। অথচ এনিমেশন সফটঅয়্যারে দুটি ফ্রেম আকাই যথেষ্ট। প্রথম পফ্রেমে বলটি শুরুতে যেখানে থাকবে সেখানে রাখুন, ২৫ নম্বর ফ্রেমে বলটি যেখানে পীছুবে সেখানে রাখুন। মাঝের ফ্রেমগুলি তৈরী করবে এনিমেশন সফটঅয়্যার। এমনকি এই দুটি কি-ফ্রেমের মাঝখানে কোথাও যদি দিক পরিবর্তন হয়, গতি কম বা বেশি করা প্রয়োজন হয় সেটাও করা যাবে সফটঅয়্যারেই। দুটি কিফ্রেমের মাঝখানের (ইন বিটুইন) ফ্রেমগুলির পরিবর্তনের এই কাজ টুই নামে পরিচিত। ফ্লাশে দুধরনের টুইন রয়েছে। একটি গতি বিষয়ক কাজের জন্য মোশান টুইন, আরেকটি আকার-আকৃতি বিষয়ক কাজের জন্য সেপ টুইন।

Saturday, April 9, 2011

ফ্লাশ টিউটোরিয়াল : ড্রইং

ফ্লাশ বহুবিধ কাজের জন্য ব্যবহৃত সফটঅয়্যার। ওয়েবপেজ তৈরী, এনিমেশন, মাল্টিমিডিয়া কিংবা গেম তৈরী সব কাজেই ব্যবহার করা হয় এই সফটঅয়্যার। এই কাজগুলির জন্য রয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী ড্রইং টুল। ইলাষ্ট্রেটর কিংবা কোরেল ড্র এর সাথে তুলনা করে হয়ত বলতে পারেন তাদের মত নিখুত মাপ নিয়ে কাজ করা যায় না। কথাটা ঠিক। ফ্লাশের কাজের জন্য মাপ বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ারিং কিংবা ইন্টেরিয়র ডিজাইন কাজের মত ততটা গুরুত্বপুর্ন না, বরং ফ্লাশের ড্রইং এনিমেশন, গেম, ওয়েবপেজ ইত্যাদিতে ব্যবহারের জন্য। সে হিসেবে ড্রইং করা অত্যন্ত সহজ। অন্তত গ্রাফিক ট্যাবলেটের বদলে শুধুমাত্র মাউস ব্যবহারের সময়।
ফ্লাশে ড্রইং এর পদ্ধতি দেখে নেয়া যাক।

Tuesday, April 5, 2011

ফ্লাশ সফটঅয়্যার দিয়ে কি কি কাজ করা যায়

একসময় ডিরেক্টর নামে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি মাল্টিমিডিয়া অথরিং সফটঅয়্যার ছিল ম্যাক্রোমিডিয়ার। মুলত টেক্সট, বিটম্যাপ ইমেজ, ভেক্টর ইমেজ, ভিডিও ইত্যাদিকে ব্যবহার করে ইন্টারএকটিভ মাল্টিমিডিয়া তৈরী করা হত। গ্রোগ্রামিং এর জন্য ছিল শক্তিশালী স্ক্রিপ্টিং ব্যবস্থা। একসময় এখান থেকে ভেক্টর ভিত্তিক কাজগুলি পৃথক করে নতুন আরেকটি সফটঅয়্যার তৈরী করা হয়। নাম দেয়া হয় ফ্লাশ। এর বৈশিষ্ট, মুলত ভেক্টর ভিত্তিক এনিমেশন তৈরী যা ফাইল হিসেবে আকারে খুবই ছোট হবে, দেখার সময় বড়-ছোট করলে মানের হেরফের হবে না, ইন্টারনেটে খুব দ্রুত কাজ করবে। এজন্যই নাম ফ্লাশ।
এটা ফ্লাশের ইতিহাস। বর্তমানে ফ্লাশ ইন্টারনেটে ব্যবহার করা সবচেয়ে জনপ্রিয় টুলগুলির একটি। এর মালিকানা বর্তমানে ফটোশপ নির্মাতা এডবি হাতে। তারাও এতে যোগ করেছে তাদের নিজেদের প্রযুক্তি। এনিমেশনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট ছাড়িয়ে অনেকে ব্যবহার করছেন টিভি এনিমেশনের জন্যও। ফ্লাশ ভিডিও নামের বিশেষ ধরনের ভিডিও ইন্টারনেটে সবচেয়ে জনপ্রিয়। এর ফাইল আকারে ছোট, অথচ মান খুবই উন্নত। ফ্লাশে তৈরী গেম ইন্টারনেটের আরেকটি জনপ্রিয় বিষয়। আর কোকাকোলা-র মত বিশ্বের সেরা ব্রান্ডের ওয়েবসাইট যদি দেখেন, সেখানে রয়েছে ফ্লাশে তৈরী আকর্ষনীয় ওয়েবপেজ।