Showing posts with label Multimedia and Presentation. Show all posts
Showing posts with label Multimedia and Presentation. Show all posts

Sunday, February 3, 2013

মাল্টিমিডিয়া তৈরী কিভাবে শিখবেন


তথ্যপ্রযুক্তিতে ভারত নানা কারনে উদাহরন। বলা হয় একসময় ভারত আমেরিকাকে ছাড়িয়ে যাবে। তাদের কাছে সেটা বাস্তবতা। তারসাথে যখন বাংলাদেশের তুলনা করা হয় তখন বাংলাদেশ সম্পর্কে বক্তব্য পুরোটাই সম্ভাবনা নিয়ে। কেউ নিশ্চিত করে বলছেন না আসলে কি হবে, বলছেন হতে পারে। অন্তত বিদ্যমান যে সমস্যাগুলি রয়েছে সেগুলি যেভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে তাতে অনেকেই আশাবাদী নন। সকলেরই বক্তব্য, যদি সেগুলির সমাধান করা হয় তাহলে ...
এই লেখাটি মাল্টিমিডিয়া বিষয়ে। মাল্টিমিডিয়া একটি বড় শব্দ। ইমেজ, ভিডিও, এনিমেশন, শব্দ সবগুলিকে একসাথে করলে মাল্টিমিডিয়া হয়, আবার এদেরকে পৃথকভাবেও মাল্টিমিডিয়া বলা হয়। পিসি, ট্যাবলেট বা স্মার্টফোনের জন্য তৈরী সফটঅয়্যারকে মাল্টিমিডিয়া বলা হয়। শিক্ষা-বিনোদন-তথ্য কোন বিষয়েই মাল্টিমিডিয়াকে এড়িয়ে চলা সম্ভব না। যদি সেদিকে যেতেই হয় তাহলে দ্রুত যাওয়াই ভাল।
বাংলাদেশে মাল্টিমিডিয়া তৈরী শেখার সম্ভাব্য পথগুলি কি তাই নিয়ে এই পোষ্ট।

Friday, February 1, 2013

মাল্টিমিডিয়া তৈরীর জন্য কি শেখা প্রয়োজন


মাল্টিমিডিয়ায় টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও, এনিমেশন, শব্দ ইত্যাদি থাকবে ধরে নেয়া হয়। বিশেষ মাল্টিমিডিয়ায় এদের সবগুলি  নাও থাকতে পারে, তাহলেও মুল লক্ষ সবগুলি রাখা।
কাজেই মাল্টিমিডিয়া তৈরীর জন্য কাজের ধাপগুলি হচ্ছে যে বিষয়ের মাল্টিমিডিয়া সেই বিষয়ের তথ্য সংগ্রহ করা এবং তৈরী করা, মারসাথে মানানসই ইমেজ, ভিডিও, এনিমেশন, সাউন্ড ইত্যাদি তৈরী করা বা সংগ্রহ করা। 
কোন ধরনের মিডিয়ার জন্য কি প্রয়োজন উল্লেখ করা হচ্ছে এই পোষ্টে।

Wednesday, January 30, 2013

মাল্টিমিডিয়া তৈরীর জনপ্রিয় সফটঅয়্যার


মাল্টিমিডিয়া তৈরীর কথা বললে অনেকেই ধরে নেন, ওকাজ আমাকে দিয়ে হবে না।
মাল্টিমিডিয়া তৈরীর জন্য ভিজুয়াল সি কিবা ভিজুয়াল বেসিককে প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ধরে নিলে কথাটা ঠিক। এগুলি ব্যবহার করে সফল মাল্টিমিডিয়া তৈরীর জন্য যাকিছু প্রয়োজন তা সকলের নেই। উদাহরন হিসেবে বিশ্বখ্যাত কোন মাল্টিমিডিয়ার কথা যখন বলা হয় তখন সাথে এই নামগুলি চলে আসে।
মাল্টিমিডিয়ার ক্ষেত্রে সুখবর হচ্ছে, এদের বাইরে মাল্টিমিডিয়া তৈরীর সহজ কিছু ব্যবস্থা রয়েছে যা শেখা এবং ব্যবহার করে বানিজ্যিক মাল্টিমিডিয়া তৈরী করা সম্ভব অধিকাংশের পক্ষেই।
এই লেখা মুলত যারা সরাসরি প্রোগ্রামিং এর সাথে যুক্ত নন অথচ সৃষ্টিশীল কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য। নিজের চেষ্টায় শেখা সম্ভব এমন কিছু সফটঅয়্যারের পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।

Monday, January 28, 2013

বাংলা মাল্টিমিডিয়ার সমস্যা এবং করনীয়


প্রথম বাংলা মাল্টিমিডিয়া কোনটি উল্লেখ করা কঠিন। সম্ভবত একাধিক ব্যক্তি বা প্রতিস্ঠান একই দাবী নিয়ে সামনে আসবেন। বরং বিষয়টি এভাবে দেখা যাক, বাংলায় মাল্টিমিডিয়া তৈরী বিষয়টিকে মানুষ অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে দেখেছে। ফলে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে বিষয়টি। ৯০ এর দশকে শেষদিক থেকে পরবর্তী কয়েখ বছরে খুব দ্রুত বহু বাংলা মাল্টিমিডিয়া বাজারে এসেছে। মাল্টিমিডিয়া বিষয়টি কতটা জনপ্রিয় ছিল এর প্রমান হতে পারে তখন দ্রুত বাজারে আসা কয়েকটি কম্পিউটারভিত্তিক পত্রিকা এবং তাদের চাহিদা। এরপর সেই উতসাহে ভাটা পরেছে, বর্তমানে সাধারন মানুষ কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকার খোজ করে না। কোন কোন পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেছে।
এমনটা হল কেন ?
কিছু ব্যক্তি মাল্টিমিডিয়া বিষয়ে প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন (কারন মাল্টিমিডিয়ার সত্যিকারের উপকারিতা তুলে ধরা, নিজের মাল্টিমিডিয়া ব্যবসা বা ট্রেনিং ব্যবসা যাই হোক। বর্তমানের আউটসোর্সিং বা ফ্রিল্যান্সিং প্রচারনার সাথে তুলনা করতে পারেন)। তাদের প্রচারনার কারনে মানুষ আগ্রহি হয়েছে। সাথেসাথে একে পুজি করে নানাধরনের ব্যবসা শুরু হয়েছে। এখানে ওখানে দেশি-বিদেশী ট্রেনিং সেন্টার গড়ে উঠেছে। অনেকের কোর্স ফি ছিল কয়েক লক্ষ টাকা। হঠাত করেই নানা বিষয়ে বিশেষজ্ঞ এসে হাজির হয়েছেন। একজনের উল্লেখ করা সম্ভবত নিরাপদ কারন তিনি বর্তমানে যুদ্ধাপরাধী হিসেবে বিচারাধীন। তিনি আবির্ভুত হয়েছিলেন কালার এক্সপার্ট (রং বিশেষজ্ঞ) হিসেবে। কম্পিউটার বিষয়ক পত্রিকায় তার বিশেষজ্ঞ পরিচিতি দিয়ে বিশেষজ্ঞ নিবন্ধ ছাপা হত নিয়মিতভাবে।

Sunday, January 27, 2013

মাল্টিমিডিয়া তৈরী হতে পারে আপনার পেশা


মাল্টিমিডিয়া কি প্রশ্ন করলে সম্ভবত দুধরনের উত্তর পাওয়া যাবে। একপক্ষ বলবেন, যেখানে লেখা, ছবি, ভিডিও, শব্দ ইত্যাদি দিয়ে কিছু প্রকাশ করা হয়।
আরেক পক্ষের উত্তর দেয়ার আগে ১৩ বছর আগের অভিজ্ঞতা উল্লেখ করা যেতে পারে। এক ব্যক্তি মাল্টিমিডিয়া সিডি কিনেছেন। ফেরত এসে বললেন, কি মাল্টিমিডিয়া দিলেন উইনএম্প দিয়ে চলে না জেটঅডিও দিয়েও চলে না। দ্বিতীয় পক্ষের কাছে এখনও মাল্টিমিডিয়া অর্থ গান শোনা বা ভিডিও দেখার ব্যবস্থা। মাল্টিমিডিয়া সফটঅয়্যার বলতে তারা মিডিয়া প্লেয়ার বোঝেন।
অথচ বিষয়টি এমন হওয়ার কথা ছিল না। অন্তত ১৫ বছর আগে বাংলায় সিডিভিত্তিক মাল্টিমিডিয়া তৈরী করা হয়েছে। এতদিনে সেটা নিজস্ব ক্ষেত্র তৈরী করে নিতে পারত। কেন হয়নি সেটা ভিন্ন প্রসংগ। বরং এখনও কি হতে পারে, এরফলে ব্যবহারকারীরা কিভাবে উপকৃত হতে পারেন এবং এরসাথে সম্পৃক্ত হয়ে বহু মানুষ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে পারেন এই বিষয়গুলি নিয়ে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি লেখা দেয়ার উদ্দ্যোগ নেয়া হচ্ছে। প্রথম পর্বে একে পেশা হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ কতটা সেটাই তুলে ধরা হচ্ছে।
এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা নামের বিশ্বকোষের পরিচিতি বর্ননা করা প্রয়োজন হয় না। এর মুদ্রন বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে পাওয়া যায় ডিভিডিতে এবং ইন্টারনেটে। ছাপা বইয়ের তুলনায় এতে অতিরিক্ত সুবিধে হিসেবে রয়েছে সার্চ করার ব্যবস্থা, এনিমেশন, ভিডিও এবং শব্দের ব্যবহার। পুরোটাই রয়েছে একটিমাত্র ডিভিডিতে। ফলে প্রতিযোগিতায় ছাপানো সংস্করন টিকে থাকতে পারেনি। এই উদাহরন বলে দিতে পারে মাল্টিমিডিয়ার সম্ভাবনা কতটুকু।

Saturday, November 12, 2011

ডিরেক্টরে ইন্টারএকটিভ মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন তৈরী

ডিরেক্টর ব্যবহার করে কিভাবে ইন্টারএকটিভ মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন তৈরী করবেন সেটা দেখানো হচ্ছে এই টিউটোরিয়ালে। যদি কখনো ডিরেক্টর ব্যবহার নাও করেন তাহলেও কাজ শুরু থেকে নিজের পছন্দমত প্রেজেন্টশন তৈরী এবং সাউন্ড, ইন্টারএকটিভিটি যোগ করে চুড়ান্ত প্রোগ্রাম ফাইল তৈরী করা থাকছে এতে।
শুরুতে ডিরেক্টরে ব্যবহৃত কিছু শব্দের সাথে পরিচিত হয়ে নেয়া যাক।

Sunday, October 30, 2011

মাল্টিমিডিয়া তৈরী করুন এডবি ডিরেক্টর দিয়ে

বছর দশেক আগে বাংলাদেশে সিডি ভিত্তিক বাংলা মাল্টিমিডিয়া বেশ জনপ্রিয় ছিল। বিশেষ করে শিশুদের জন্য শিক্ষামুলক মাল্টিমিডিয়া এবং বিভিন্ন ধরনের টিউটোরিয়াল। বিষয়টি সামনের দিকে যায়নি বেশকিছু কারনে। প্রধানত পাইরেসি বন্ধ করা হয়নি, ফলে নির্মাতা খরচের টাকা ফেরত পাননি। খরচ কমাতে গিয়ে মানের ক্রমাবনতি ঘটেছে এবং অন্যদিকে ভিডিওভিত্তিক প্রেজেন্টেশন জনপ্রিয় হয়েছে। বর্তমানে টিউটোরিয়াল নামের যে মাল্টিমিডিয়া বাজারে পাওয়া যায় তার সবই স্ক্রীন রেকর্ড করা ভিডিও।
শিশুদের জন্য শিক্ষামুলক মাল্টিমিডিয়া বা গেম তৈরী করার সময় ইন্টারএকটিভিটি একটি গুরুত্বপুর্ন বিষয়। ব্যবহারকারী কোথাও ক্লিক করবে, মাউস ব্যবহার করে কোথাও কিছু আকবে, কোথাও প্রশ্নের উত্তর টাইপ করে দেবে। একাজগুলি করার জন্য আদর্শ সফটঅয়্যার এডবি ডিরেক্টর। ডিকে মাল্টিমিডিয়া সহ বিশ্বের বেশকিছু কোম্পানী এরই মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া তৈরী করছে।

Wednesday, September 7, 2011

পাওয়ারপয়েন্ট টিউটোরিয়াল : ইমেজ ব্যবহার করুন নিজের পছন্দমত

পাওয়ারপয়েন্ট ব্যবহার করে সাধারন কাজগুলি উল্লেখ করা হয়েছে প্রথম টিউটোরিয়ালে। প্রেজেন্টেশনকে আরো সুন্দর করার উপায়গুলি দেখে নেয়া যাক। প্রথমেই ইমেজের নানাবিধ ব্যবহার।
পাওয়ারপয়েন্টে ইমেজ আনা খুব সহজ। আপনি ইমেজ এডিটিং সফটঅয়্যারে নানারকম ইফেক্ট ব্যবহার করে তাকে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে ব্যবহার করতে পারেন। তারপরও এর মধ্যে রয়েছে ইফেক্ট ব্যবহারের সুযোগ।

Thursday, April 28, 2011

ফ্লাশ ইন্টারএকটিভিটি : বাটন তৈরী

ফ্লাশ ব্যবহার করে ওয়েব সাইট তৈরী করুন অথবা মাল্টিমিডিয়া বা গেম তৈরী করুন, সেখানে ইন্টারএকটিভিটির জন্য বাটন তৈরী প্রয়োজন। বাটন এমন এমন একটি যায়গা যেখানে ক্লিক করলে কিছু ঘটে। কাজেই আপনাকে যা করতে হয় তা হচ্ছে, বাটন হিসেবে ইমেজ বা টেক্সট ব্যবহার করা, সেখানে মাউস পয়েন্টার আনলে কোনভাবে ইউজারকে জানানো সেটি একটি বাটন, এবং সেখানে ক্লিক করলে যে কাজ হবে সেজন্য কোড ব্যবহার। এখন পর্যন্ত ফ্লাশের যে টিউটোরিয়ালগুলি উল্লেখ করা হয়েছে তাতে কোন কোড ব্যবহার করা হয়নি। আপাতত জেনে রাখুন, কোড সরাসরি টাইপ করে দিতে পারেন, অথবা সহজ কিছু কোড সরাসরি মেনু থেকে প্রয়োগ করতে পারেন।

প্রাথমিক একটি  বাটন তৈরী করে দেখা যাক।

Monday, April 18, 2011

পাওয়ারপয়েন্ট টিউটোরিয়াল : প্রেজেন্টেশন তৈরী

মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন তৈরী করা প্রয়োজন হয় বিবিধ কারনে। ব্যবসা প্রতিস্ঠানের প্রেজেন্টেশন থেকে শুরু করে শিক্ষা ক্ষেত্রে কিংবা ব্যক্তিগত কাজে। যে কারনে ভাল প্রেজেন্টেশন তৈরীতে দক্ষ ব্যক্তির চাহিদা বিশ্বব্যাপি। যারা আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে চান তাদের পছন্দের একটি বিষয় প্রেজেন্টেশন। এই সফটঅয়্যার খুব দ্রুত শিখে নেয়া যায় এবং কাজ পাওয়া যায় তুলনামুলক সহজে। মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন, প্রিন্টের জন্য স্লাইড তৈরী ছাড়াও সরাসরি ওয়েবপেজ হিসেবে সেভ করে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায় এই সফটঅয়্যারে।
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরীর জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত। কারন একদিকে এর ব্যবহার যেমন সহজ অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটঅয়্যার মাইক্রোসফট অফিস এর সাথে এই সফটঅয়্যার থাকে।