Showing posts with label 3ds Max. Show all posts
Showing posts with label 3ds Max. Show all posts

Friday, February 22, 2013

ফ্রিল্যান্সিং এবং থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স



ফ্রিল্যান্সিং কাজে গ্রাফিক ডিজাইনের অবস্থান এতই শক্তিশালী যে মাল্টিমিডিয়ার অন্যান্য অনেক বিষয় প্রচারে যথেষ্ট গুরুত্ব পায় না। সবাই ধরে নেন ফটোশপ-ইলাষ্ট্রেটর নিয়েই কাজ করতে হবে।
এর সহজ একটি পরিনতির কথা দেখা যাক। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে নাম লেখাচ্ছেন। এদের বড় একটি অংশ গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করতে আগ্রহি। কাজ যত বেশিই থাক, তারসাথে পাল্লা দিয়ে প্রতিযোগিতা বাড়তে থাকবে। বর্তমানে সাধারনভাবে হিসেব করা হয় প্রতিটি গ্রাফিক ডিজাইন কাজের জন্য গড়ে ২০০ থেকে ৩০০ জনের মত ফ্রিল্যান্সার বিড করেন। প্রতিযোগিতা আরো বাড়লে সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি অনেকে কম টাকায় কাজ করার প্রস্তাব দেবেন এটাই স্বাভাবিক।
যদি আগে থেকেই বিষয়টি হিসেব করে বিকল্প খোজ করতে চান, অন্য কাজের দিকে যেতে চান তাহলে থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স হতে পারে পছন্দের একটি বিষয়।

Thursday, November 1, 2012

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স এর গুরুত্বপুর্ন কয়েকটি প্লাগইন


থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স বহুবিধ কাজের সফটঅয়্যার। মিডিয়া এনিমেশন, স্পেশাল ইফেক্ট, বিজ্ঞাপন চিত্র, আর্কিটেকচারাল ভিজুয়ালাইজেশন থেকে শুরু করে থ্রিডি কার্টুন এনিমেশন সবই তৈরী করা হয় এর সাহায্যে। স্বাভাবিকভাবেই সফটঅয়্যারটি অত্যন্ত বড় এবং জটিল।
অন্যভাবে বললে বরং বলতে হয়, থ্রিডি বিষয়টিই জটিল। এজন্য সফটইমেজ, লাইটওয়েভ কিংবা মায়ার তুলনায় বরং থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স তুলনামুলক সহজ। সবাই ব্যবহার করতে পারেন বলেই বেশি জনপ্রিয়। সফটঅয়্যারকে সহজ করার জন্য ছাড় দিতে হয়নি এমন না। আরো জটিল সফটঅয়্যারে যত ভাল ফল পাওয়া যায় তারসাথে তুলনা করলে মানের ওপর এর প্রভাব পরেছে।
সহজতা এবং ভাল মান দুটিকে একসাথে মেলানো কঠিন। এখানেই ভুমিকা তৃতীয় পক্ষের। তারা প্লাগইন নামে বিশেষ সফটঅয়্যার তৈরী করেন যা ইনষ্টল করলে মুল সফটঅয়্যারের কোন কাজ আরো ভালভাবে করা যায়, কিংবা সহজে করা যায়।
বাংলাদেশে থ্রিডি এনিমেশনের ব্যবহার তুলনামুলক সীমিত। অন্তত চলচ্চিত্রে স্পেশাল ইফেক্ট বা ক্যারেকটার এনিমেশনের বিচারে। ফলে জানার সুযোগও সীমিত।
থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সের কাজ সহজ করতে পারে, কিংবা ফলাফল উন্নত করতে পারে এমন কয়েকটি প্লাগইনের পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।

Friday, April 20, 2012

ফ্রিল্যান্সিং কাজের জন্য থ্রিডি মডেলিং


থ্রিডি এনিমেশন সম্পর্কে আগ্রহ বহু মানুষের। অনেকেই থ্রিডি মুভি বা কার্টুন তৈরী করতে চান, নিজের পছন্দের কোন বিষয় তুলে ধরতে চান এনিমেশনের মাধ্যমে। বাংলাদেশে বিষয়টি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে ততটা প্রতিষ্ঠিত না যেকারনে অধিকাংশের জন্যই ভুল ধারনা তৈরী হয়। শেখার সুযোগ না থাকায় বিভ্রান্ত হন।
এই বিভ্যান্তির বাইরে কিভাবে থ্রিডিকে কাজে লাগানো যেতে পারে, কিভাবে তাকে ফ্রিল্যান্সিং কাজে ব্যবহার করা যেতে এবিষয়ে কিছু ধারনা দেয়া হচ্ছে এখানে।
প্রথমে বাংলাদেশের প্রেক্ষিত কিছুটা জেনে নেয়া ভাল। বছর দশেক আগে হঠাত করেই বেশকিছু প্রতিষ্ঠান গজিয়ে উঠেছিল সারা দেশে।  বিদেশী কিছু প্রতিস্ঠানের নাম যোগ করে এবং সাধারনভাবে মানুষকে বিপ্লব হতে যাচ্ছে এধরনের প্রচারনা চালিয়ে বহুকোটি টাকার ব্যবসা করেছে তারা। উল্লেখ করা হয়ত প্রয়োজন নেই প্রতিস্ঠানগুলির কোনটিই টিকে নেই। যে প্রতিস্ঠানগুলি থ্রিডির কার্যক্রম ধরে রেখেছে তারাও খুব বেশি কথা বলেন না।
থ্রিডি বিষয়টি থেমে নেই। সিনেমা-নাটক বা অন্য ভিডিওতে স্পেশাল ইফেক্ট হিসেবে না হোক অন্তত বিজ্ঞাপনের কল্যানে কাজের উন্নতি হয়েছে। বেশকিছু ভাল এনিমেটর তৈরী হয়েছেন। তাদের সবাই ভাল করেছেন নিজের পরিশ্রমে, ধৈর্য্য ধরে লেগে থেকে। কাজটি খুব সহজ ছিল মনে করার কারন নেই। অনেকেই সম্ভাবনা থাকার পরও সরে গেছেন বিভিন্ন বাধা এবং অনিয়মের কারনে।

Thursday, November 24, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স থেকে থ্রিডিকে ইলাষ্ট্রেটরে ব্যবহার

থ্রিডি মডেলিং এর জন্য থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স যেমন জনপ্রিয় তেমনি ভেক্টর ডিজাইনের ক্ষেত্রে ইলাষ্ট্রেটর। অনেক সময়ই আপনি ইলাষ্ট্রেটরে লোগো ডিজাইন করার সময় আপনাকে বলা হতে পারে তিনি থ্রিডি টেক্সট কিং অন্য কোন অবজেক্টকে থ্রিডি চান।
ইলাষ্ট্রেটরে থ্রিডি কাজ করা যায়, একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ের। অন্তত ম্যাক্সের মত সফটঅয়্যারের সাথে তুলনা করার কোন কারন নেই। কাজেই কেমন হয় যদি ম্যাক্সে থ্রিডি তৈরী করে নেন, এরপর তাকে ব্যবহার করেন ইলাষ্ট্রেটরে।
প্রথমে বলে নেয়া ভাল, এখানে ইলাষ্ট্রেটরের কথা বলা হচ্ছে, ফটোশপের না। ম্যাক্স বা অন্য যে কোন থ্রিডি সফটঅয়্যার থেকে বিটম্যাপ রেন্ডার করে অনায়াসে ফটোশপে ব্যবহার করতে পারেন। ইলাষ্ট্রেটরে আপনার প্রয়োজন ভেক্টর।

Tuesday, August 30, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স টিউটোরিয়াল : মাল্টি-সাব অবজেক্ট ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার

আপনি একটি ক্যারেকটার মডেল করুন অথবা বাড়ি তৈরী করুন কিংবা কোন পন্যের প্যাকেট তৈরী করুন, এর বিভিন্ন যায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়। যেমন বাড়ির বিভিন্ন যায়গায় ভিন্ন ভিন্ন রং কিংবা বোতলের নিজস্ব রংয়ের সাথে গায়ে লাগানো লেবেল। একই অবজেক্টের ভিন্ন ভিন্ন যায়গায় ভিন্ন ভিন্ন ম্যাটেরিয়াল ব্যবহারের জন্য মাল্টি-সাব অবজেক্ট ম্যাটেরিয়াল নামে বিশেষ ধরনের ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার করা হয় থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সে।
এখানে একটি সহজ উদাহরনের সাহায্যে কাজটি করে দেখানো হচ্ছে। এখানে ব্যবহার করা হচ্ছে সনি সিডির বক্স।

Wednesday, August 17, 2011

নকসা অনুযায়ী ম্যাক্সে থ্রিডি বাড়ি তৈরী

থ্রিডি বাড়ি তৈরীর জন্য বাড়ির ডিজাইন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন মডেলিং ব্যবস্থা প্রয়োজন হয়। একটি ব্যবস্থা হচ্ছে ফ্লোরপ্লান এক্সট্রুড করে ভবনের মুল কাঠামো তৈরী। এতে একদিকে সঠিক নকসা অনুযায়ী কাজ পাওয়া যায় অন্যদিকে সবকিছু নিজে করতে হয়না বলে  দ্রুত মডেল তৈরী সম্ভব হয়।
ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে বাড়ি তৈরী করতে বলবেন তখন তিনি আপনাকে দুটি বিষয় দেবেন। একটি স্কেচ, বাড়িটি দেখতে কেমন হবে। আরেকটি ফ্লোরপ্লান।
ফ্লোরপ্লান কি যদি না জানা থাকে তাহলে সংক্ষেপে জেনে নিন।
এখানে পুরো বাড়ির মেঝের নকসা করা থাকে। মোট বাড়ির এলাকার সঠিক মাপ, ঘরগুলির অবস্থান এবং মাপ, বারান্দা, দরজা, জানালা ইত্যাদি কোনটি কোথায় কিভাবে থাকবে সেটা দেখানো হয়। ছবিতে একটি ফ্লোরপ্লান দেখে নিন।
আপনাকে যদি ফ্লোরপ্লান হিসেবে অটোক্যাড ফাইল (DXF, DWG বা অন্য ফরম্যাট) দেয়া হয় তাহলে তাকে যেমন কাজে লাগাতে পারেন, তেমনি ইলাষ্ট্রেটর ড্রইং হিসেবে দিলেও সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা কাগজ থেকে স্ক্যান করে ড্রইং করে নিতে পারেন। যদি অটোক্যাড বা ইলাষ্ট্রেটর ব্যবহারে স্বাচ্ছন্দবোধ করে তাহলে ড্রইং এর কাজ সেখানে করে নিতে পারেন।

Friday, August 12, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সে ফটোরিয়ালিসটিক বাড়ি তৈরীর জন্য করনীয়

ফটোরিয়ালিসটিক অর্থ যেটা দেখে মনে হবে ফটোগ্রাফ। থ্রিডি মডেল ব্যবহার করে আপনি এমন বাড়ি তৈরী করবেন যে বাড়ির ছবি উঠানো সম্ভব না কারন সেই বাড়ির বাস্তব অস্তিত্ব নেই। যেমন তৈরী হওয়ার আগেই কোন বাড়ি। যদিও বাড়ি উল্লেখ করা হচ্ছে বাস্তবে সেটা আবাসিক বাড়ি না হয়ে বানিজ্যিক ভবন, মসজিদ, হাসপাতাল, ষ্টেডিয়াম কিংবা এদের সন্মিলিত কিছু হতে পারে। একে ধরনের ভবনের একেক ধরনের বৈশিষ্ট বিদ্যমান। আপনি যখন মডেল তৈরী করবেন তখন মসজিদ দেখে মসজিদ মনে হতে হবে, হাসপাতাল দেখে হাসপাতাল মনে হতে হবে।
থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স এধরনের এক্সটেরিয়র ডিজাইনের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় সফটঅয়্যার। সরাসরি ফটোরিয়ালিষ্টক বাড়ি তৈরীর কাজে হাত দেয়ার আগে কিছু প্রাসংগিক বিষয়ের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক।

Thursday, August 11, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স রেন্ডারিং

রেন্ডারিং যে কোন এনিমেশন কিংবা ভিডিও এডিটিং এর শেষ কাজ। আপনি যাকিছু করতে চান করার পর সেখান থেকে চুড়ান্ত ভিডিও বা ইমেজ তৈরী করবেন। ম্যাক্সের ক্ষেত্রে বিষয়টি তেমনই। এখন পর্যন্ত ম্যাক্সের যেটুকু টিউটোরিয়াল দেয়া হয়েছে তাতে রেন্ডারিং এর মত বিষয় কিছুটা আগে মনে হতে পারে। তাহলেও আগেই যদি জানা থাকে শেষ পর্যন্ত আপনি কি ফল পাবেন তাহলে কাজ করতে সুবিধে হবে, সেকারনে এই টিউটোরিয়াল।
ম্যাক্সে কাজ করার পর আপনি তাকে প্রয়োজনীয় কোন ফরম্যাটে পেতে চান। সেটা হতে পারে এনিমেশন, ভিডিও, বিটম্যাপ ইমেজ কিংবা ভেক্টর গ্রাফিক্স। কোনটি কিভাবে পাবেন জেনে নিন।

Saturday, July 16, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সে ক্যারেকটার এনিমেশন - ১

একসময় পুরো মুভি থ্রিডিতে তৈরীর বিষয়টি মানুষকে অবাক করত। বর্তমানে থ্রিডি ক্যারেকটার এনিমেশন কিংবা কার্টুন ছবি মানুষকে ততটা অবাক করে না বরং মনে হয় আমি যদি করতে পারতাম। আপনার পক্ষেও থ্রিডি ক্যারেকটার এনিমেশন করা সম্ভব। প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি-লোকবল-অর্থ সবকিছু থাকলে পুরো মুভি। নইলে অন্তত থ্রিডি এনিমেটেড বিজ্ঞাপন কিংবা কয়েক মিনিটের কার্টুন।
থ্রিডি ক্যারেকটার এনিমেশন কিভাবে করা হয় জানানো হচ্ছে কয়েকটি পর্বে।

Tuesday, July 5, 2011

Photoshop tutorial: থ্রিডি মডেল পেইন্টিং কাজে ফটোশপ

যারা থ্রিডি মডেল তৈরী করেন তারা জানেন মডেল তৈরীর পর তাকে পছন্দের রঙে আনার কাজ কতটা সময়সাপেক্ষ। একজন মানুষের মডেল তৈরী করে তাকে নিখুতভাবে রং দেয়ার জন্য সঠিক মাপের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরী করে নিতে হয়, তাকে যায়গামত বসাতে হয়। তারপরও কিছু সমস্যা থেকেই যায়।
ফটোশপ ব্যবহার করে থ্রিডি মডেলের ওপর সরাসরি পেইন্ট করা যায়। তা থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স হোক অথবা অন্য সফটঅয়্যারই হোক।
এখানে উদাহরন হিসেবে থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

Monday, May 23, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স : ২ মিনিটে থ্রিডি বাড়ি তৈরী, 3ds Max

সারা বিশ্বেই আবাসন একটি বড় ব্যবসা। ল্যান্ড ডেভেলপার থেকে হাউজিং কোম্পানী সকলেই প্রতিযোগিতা করছেন কিভাবে ক্রেতার কাছে পীছুবেন। তাদের হাতে স্বপ্নের মত ঘরবাড়ি  তুলে দেবেন। টিভি বিজ্ঞাপনে সেই ঘরবাড়ি দেখাবেন। ফল হিসেবে বিজ্ঞাপন নির্মাতারা তৈরী করতে হচ্ছে থ্রিডি ঘরবাড়ি। থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স অনেক ক্ষেত্রেই প্রধান হাতিয়ার।
নির্দিষ্ট প্লান অনুযায়ী একটি বাড়ি তৈরী করা সময়সাপেক্ষ। তারসাথে যদি যোগ করতে হয় আরো অনেকগুলি বাড়ি তাহলে একদিকে প্রতিটি বাড়ি নিখুতভাবে তৈরী করতে হয়, অন্যদিকে কাজটি এত বিশাল হয়ে দাড়ায় যে সাধারন কম্পিউটারের পক্ষে সবকিছু নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হয়ে দাড়ায়। যারা থ্রিডি গেম তৈরী করেন তাদেরও লক্ষ্য রাখতে হয় পারফরমেন্সের দিকে। গেমের ঘরবাড়ি, গাছপালা যত নিখুত, খেলার জন্য তত শক্তিশালি কম্পিউটার প্রয়োজন।
এই দুধরনের কাজে ২.৫ ডি নামে একধরনের পদ্ধতি ব্যবহার করে সহজে কাজ চালানো হয়। যেমন একটি বক্সের ওপর বাড়ির ছবি এটে দেয়া। ষ্টুডিওতে তাজমহলের ছবির সামনে দাড়িয়ে ছবি উঠালে যেমন মনে হয় তাজমহলের সামনে দাড়িয়ে আছেন ঠিক তেমনই।

Sunday, May 1, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স : শুরুতেই যে কাজগুলি করা প্রয়োজন

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স সফটঅয়্যার চালু করে আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। মডেল তৈরী থেকে শুরু করে ম্যাটেরিয়াল ব্যবহার, এনিমেশন সবকিছু করার পর হয়ত দেখা গেল সামান্য কিছূ বিষয়ে দৃষ্টি না রাখার কারনে আপনার পরিশ্রম বৃথা যাচ্ছে। আবার কিছু বিষয় কাষ্টমাইজ করে নিলে কাজ করা সহজ হয়।
ম্যাক্সের গুরুত্বপুর্ন কিছু কাষ্টমাইজেশন সম্পর্কে জেনে নিন।

ইউজার ইন্টারফেস
প্রথমবার ম্যাক্স চালু করলে গাড় রঙের স্ক্রীন পাওয়া যায়। আপনি এতে কাজ করতে পারেন, অথবা একে পরিবর্তন করে বাটনগুলিকে আরো সহজে দেখা যায় এমন হালকা রঙের করে নিতে পারেন।
.          মেনু থেকে Customize – Cunton UI and Default Switcher সিলেক্ট করুন।
ইউজার ইন্টারফেস অপশন ডায়ালগ বক্স পাওয়া যাবে। এখানে দুটি বিষয় পরিবর্তন করা যায়। বামদিকের তালিকায় রয়েছে টুল অপশন। কাজের ধরন অনুযায়ী টুল অপশন সিলেক্ট করতে পারেন। সাধারনত মিডিয়া-এন্টারটেইনমেন্ট কাজের জন্য ডিফল্ট
Max সেটিং ব্যবহার করা হয়, আর্কিটেকচারাল কাজের জন্য DesignVIZ mentalray ব্যবহার করা হয়।
.          ইন্টারফেস পরিবর্তনের জন্য ডানদিকের লিষ্ট ব্যবহার করুন। যে কোন টাইপ সিলেক্ট করলে তার প্রিভিউ দেখা যাবে। ame-light সিলেক্ট করুন এবং Set বাটনে ক্লিক করুন।
.          নতুন সেটিং পুরোপুরি ব্যবহারের জন্য ম্যাক্স বন্ধ করুন এবং পুনরায় চালূ করুন।


লোকাল ফাইল পাথ
আপনি যখন ম্যাক্সে এক্সটারনাল ফাইল ব্যবহার করেন (ম্যাটেরিয়াল, ম্যাপ ইত্যাদি) সেগুলি মুল ফাইলের অন্তর্ভুক্ত হয় না। সেগুলির জন্য একটি লিংক ব্যবহৃত হয়। অর্থাত সেই ফাইলের ড্রাইভ লেটার, ফোল্ডার ইত্যাদি যেভাবে আছে ঠিক সেভাবে থাকলে তবেই সেটা কাজ করে। একে যদি রিলেটিভ হিসেবে ব্যবহার করা যায় তাহলে মুল ফাইলের সাথে পরিবর্তনের সাথেসাথে এগুলির লোকেশন পরিবর্তন হয়। ফলে এক কম্পিউটারে কাজ করে সহজে আরেক কম্পিউটারে নেয়া যায়।
লোকাল ফাইল পাথকে রিলেটিভ পাথ হিসেবে ব্যবহারের জন্য;
.          মেনু থেকে Customize – Preferences সিলেক্ট করুন।
.          Files ট্যাবে Convert local file paths to Relative অংশে টিক চিহ্ন দিন।


প্রোজেক্ট ফোল্ডার
যারা ম্যাক্সের আগের ভার্শনে কাজ করেছেন তাদের নিয়মিতভাবেই একটা সমস্যায় পড়তে হত। কোন কাজের জন্য বিভিন্ন যায়গা থেকে ম্যাটেরিয়াল, ম্যাপ ইত্যাদি ব্যবহার করার পর যখনই সেই প্রোজেক্ট ফাইলকে অন্য কোথাও সরালেন কিংবা কোনভাবে সেই এক্সটারনাল ফাইলগুলির কোনটি আগের যায়গা থেকে সরানো হল, ফল হিসেবে আপনি এরর মেসেজ। ম্যাক্সের নতুন ভার্শনগুলিতে এই সমস্যা দুর করতে প্রোজেক্ট ফোল্ডার নামের একটি বিষয় যোগ করা হয়েছে। আপনার কাজের ফাইল নির্দিস্ট একটি ফোল্ডারে রাখবেন এবং অন্যান্য যাকিছু ব্যবহার করবেন ম্যাক্স নিজেই সেগুলিকে প্রোজেক্ট ফোল্ডারের অধিনে সাব-ফোল্ডারে রাখবে। প্রয়োজনের সময় শুধুমাত্র এই প্রোজেক্ট ফোল্ডারের দিকে দৃষ্টি রাখাই যথেষ্ট।
ম্যাক্স নিজে থেকে My documents এর অধীনে প্রোজেক্ট ফোল্ডার ব্যবহার করে। নিজস্ব ফোল্ডার ব্যবহারের জন্য যা করতে হবে;
.          এপ্লিকেশন মেনু (ওপরে বামদিকের ম্যাক্স আইকন ক্লিক করে পাওয়া যায়) থেকে সিলেক্ট করুন এবং আপনার ফোল্ডার চিনিয়ে দিন।
অথবা
.          মাউস পয়েন্টারকে এপ্লিকেশন আইকনের ডানদিকের ক্যাপশন বারে ফোল্ডার চিহ্নিত আইকনে আনুন। বর্তমান ফোল্ডারের নাম দেখা যাবে। এখানে ক্লিক করে ফোল্ডার সিলেক্ট করুন। আগে ফোল্ডার তৈরী করা না থাকলে নতুন ফোল্ডারের নাম টাইপ করে Create new folder ক্লিক করুন।
.          মেনু থেকে Reset সিলেক্ট করুন।


ইউনিট ব্যবহার
নতুন সিন তৈরীর সময় ম্যাক্স প্রতিটি অবজেক্ট তৈরী নিজস্ব জেনেরিক একটি ইউনিট ব্যবহার করে। ১ এর দৈর্ঘ্য যতটা ৩ এর দৈর্ঘ্য তার ৩ গুন এই নিয়মে। বাস্তবে আমরা ব্যবহার করি ইঞ্চি-ফুট কিংবা সেন্টিমিটার-মিটার এই ধরনের ইউনিট। কোন সিন তৈরীর শুরুতেই সেখানে কোন ধরনের ইউনিট ব্যবহার করা হবে সেটা ঠিক করে নেয়া জরুরী। নয়ত এমন পরিস্থিতি হতে পারে যেখানে একটি বাড়ি মডেল করলেন, আরেকবার একজন মানুষ তৈরী করলেন, তারপর দুটি যখন একসাথে করবেন দেখা গেল মানুষের দৈর্ঘ্য বাড়ির থেকে বেশি। ইউনিট ঠিক করে কাজ করলে একেবারে নিখুতভাবে সবকিছু পাওয়া যাবে।
ইউনিট বলে দেয়ার জন্য যা করতে হবে;
.          মেনু থেকে সিলেক্ট করুন Customize – Unit Setup
.          ইউনিট সেটআপ ডায়ালগ বক্সে পছন্দমত ইউনিট সিলেক্ট করুন।

গ্রিড সেটিং
অবজেক্ট তৈরীর জন্য ইউনিট ঠিক করার মত ম্যাক্সের গ্রিড কি মাপের দেখা যাবে সেটাও ঠিক করে দেয়া যায়। ফলে কোন অবজেক্টকে গ্রিডের দেখেই সেটার আকার জানা সহজ হয়।
.          টুলবারে যে কোন স্ন্যাপ বাটনে রাইট-ক্লিক করুন।
.          Home Grid ট্যাব সিলেক্ট করুন।
.          আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী Grid spacing পরিবর্তন করে নিন। যেমন একটি কম্পিউটার মডেল করার জন্য ইঞ্চি ব্যবহার করতে পারেন, বাড়ি তৈরীর সময় ফুট ব্যবহার করতে পারেন। এখানে ছোট গ্রিড এবং বড় গ্রিড এর জন্য দুটি পৃথক সেটিং ব্যবস্থা রয়েছে।
.          পারস্পেকটিভ ভিউতে কতগুলি গ্রিড দেখা যাবে টাইপ করে দিন Perspective View Grid Extent অংশে।

Friday, April 29, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স টিউটোরিয়াল : ভলিউম লাইট ব্যবহার

সাধারনভাবে কোন বস্তুর ওপর আলো পড়লে সেই বস্তুকে আলোকিত দেখা যায়। বড়জোর সেই আলোর রং থাকলে বস্তুর ওপর তার প্রভাব দেখা যায়। ভলিউম লাইট ব্যবহার করে সেই আলোকরস্মি দেখার ব্যবস্থা করা যায়। আলোর যায়গাটুকু ঘন বস্তুর মত দেখা যায় বলেই এর নাম ভলিউম লাইট। যেমন আপনি দেখাতে চান একটি টর্চ থেকে আলো বের হচ্ছে, কিংবা ছোট একটি ছিদ্র দিয়ে আলোকরষ্মি প্রবেশ করছে। ভলিউম লাইট এর সমাধান। থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সে ভলিউম লাইট ব্যবহার করে একদিকে যেমন আকর্ষনীয় দৃশ্য তৈরী করা যায় অন্যদিকে এর রং, ঘনত্ব এবং অন্যান্য বিষয়কে এনিমেট করে স্পেশাল ইফেক্ট তৈরী করা যায়।

Friday, April 15, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স : ইন্টারফেস পরিচিতি

যে সফটঅয়্যারই হোক না কেন, সেখানে কাজ করার জন্য আপনার জানা প্রয়োজন সেখানে কি কি টুল রয়েছে, কোনটি কিভাবে ব্যবহার করতে হয়। থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সের মত বড় আকারের সফটঅয়্যার হলে বিষয়টি আরো জটিল। প্রতিটি কমান্ডের রয়েছে অসংখ্য পরিবর্তনের ব্যবস্থা। সরাসরি সফটঅয়্যার ব্যবহার করতে গেলে জটিল মনে হওয়া স্বাভাবিক।
থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্স ব্যবহার করে মডেলিং এবং এনিমেশনের টিউটোরিয়ালের শুরুতে ইন্টারফেস সম্পর্কে পরিচিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।

Sunday, April 3, 2011

থ্রিডি ষ্টুডিও ম্যাক্সে বাইপেড এবং মোশন ক্যাপচার ব্যবহার করে ক্যারেকটার এনিমেশন

থ্রিডি গেম কিংবা থ্রিডি এনিমেশনে একেবারে মানুষের মত হাটাচলা কিংবা অন্যান্য কাজ করতে দেখে অনেকেরই প্রশ্ন জাগে, একাজ কিভাবে করা হয়। কিংবা কিভাবে নিজে করা যায়। আপনার মনে যদি এমন প্রশ্ন এসে থাকে তাহলে সেটা জানানোর জন্যই এই লেখা।
কাজটি করার পদ্ধতি জেনে নেয়া যাক আগে।
এজন্য প্রথমে চরিত্রটির মডেল তৈরী করা হয়। চুড়ান্ড এনিমেশনে যেমন দেখা যাবে ঠিক তেমনি। কাজের সুবিধের জন্য দুহাত ছড়ানো দা ভিঞ্চি পোজ ব্যবহার করা হয়।
মডেল তৈরী হয়ে গেলে বোন (হাড়) তৈরী করা হয়। বোনকে মানুষের (বা অন্য প্রানীর) কংকালের সাথে তুলনা করতে পারেন। হাতের আঙুল থেকে শুরু করে করোটি পর্যন্ত প্রতিটি অংশের জন্য যে হাড়গুলি রয়েছে তার সাথে মিল রেখে এগুলি তৈরী করা হয়।
এরপর এই কংকালকে মডেলের সাথে জুড়ে দেয়া হয়। ফল হিসেবে এরপর যখন কংকাল সরানো হয় তখন মডেলটিও তারসাথে মিল রেখে সরে। তাকে হাটার ভঙিতে সরালে মনে হবে মডেলটি হাটছে।
ধারনা করতেই পারেন কাজটি বেশ জটিল। থ্রিডি ষ্টুডি ম্যাক্সে এই কাজটি সহজে করার জন্য বাইপেড (Biped) নামে একটি বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে। বাইপেড অর্থ দুপায়ে চলা প্রাণী। অর্থাত মানুষ। তবে একে পরিবর্তন করে চারপেয়ে প্রানীর ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা যায়। আপনি নিশ্চয়ই জানেন শরীরের সবগুলি জোড়া একইভাবে কাজ করে না। যেমন হাতের আঙুল উল্টোদিকে বাকানো যায় না, মাথা ঘুরিয়ে পেছনদিকে নেয়া যায় না। বোন তৈরী করলে এই বিষয়গুলি ঠিক করে দিতে হয়। আর বাইপেড নিজে থেকেই এই বৈশিষ্টগুলি জানে। অবশ্য বোনের নিজস্ব কিছু সুবিধে রয়েছে। যদি সেগুলি প্রয়োজন হয় তাহলে প্রথমে বাইপেড ব্যবহার করে পরবর্তীতে তাকে বোন-এ পরিনত করা যায়।

Sunday, March 27, 2011

থ্রিডি এনিমেশন : কেন শিখবেন ? কি শিখবেন ??

থ্রিডি এনিমেশন কাজে আগ্রহি ব্যক্তির অভাব নেই সংখ্যায় হাজার ছাড়িয়ে লাখের ঘরে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু নেই বাংলাদেশে থ্রিডি কাজ করার কোন ষ্টুডিও কিংবা শেখানোর কোন প্রতিষ্ঠানের কোন নাম কি করতে পারেন যার একনামে পরিচিতি রয়েছে ?
নেই এমন না যে থ্রিডি এনিমেশনের কাজ হচ্ছে না যথেষ্ট পরিমানে হচ্ছে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে তো বটেই, ইদানিং ভিডিও স্পেশাল ইফেক্ট হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে তারপরও, এনিমেশন কাজের জন্য পরিচিত ষ্টুডিও কিংবা শিক্ষা প্রতিস্ঠান নেই এই অবস্থার মধ্যে যারা শিখছেন, কাজ করছেন, তারা শিখছেন নিজের মত করে তাদের কারো কারো সাথে হয়ত এনিমেশনের মুল বিষয়ের বড় রকমের গড়মিল থেকে যাচ্ছে
যদি আপনি আগ্রহি হন, যদি এমনই হয় আপনি একাজ করবেনই করবেন, তাহলে আপনার প্রথম শিক্ষা, শিখতে হবে নিজে অন্যান্য অনেকের মত কেউ একবার দেখিয়ে দিলেই শিখে ফেলব এই আশা করে সময় ক্ষেপন করবেন না নিজে যদি শিখতে না পারেন তাহলে বাস্তবতা স্বিকার করুন, হয়ত থ্রিডি এনিমেশন আপনার জন্য না পুরোপুরি নিজে শেখা কঠিন, কারো সহযোগিতা থাকলে সুবিধে হয়। সেজন্যই এই লেখা।