Showing posts with label Videography. Show all posts
Showing posts with label Videography. Show all posts

Tuesday, February 19, 2013

ভিডিও যন্ত্রপাতি কিনবেন না ভাড়া নেবেন


বর্তমানে একটি ডিজিটাল এসএলআর ক্যামেরা কিনে ফটোগ্রাফি এবং ভিডিও দুকাজে ব্যবহার করতে পারেন। মনে হতে পারে আরো সামান্য কিছু খরচ করলে ভিডিও কাজের জন্য যাকিছু প্রয়োজন সব নিজেই কিনে রাখা যায়।
নিজের যন্ত্রপাতি থাকা সবসময়ই লাভজনক। প্রয়োজনের জন্য অন্যের কাছে যেতে হয় না, এজন্য আলাদা খরচ করতে হয় না।
বিভিন্ন কারনে সবকিছু নিজের কেনা সম্ভব হয় না। দাম অবশ্যই একটি কারন। আপনি প্রফেশনাল গ্রেড ক্যামেরা, সাথে মাইক্রোফোন, লাইট ইত্যাদি কিনতে পারেন না। এরসাথে দক্ষ লোকবলের বিষয়ও রয়েছে। সেকারনে গড়ে উঠেছে অনেক রেন্টাল হাউস। প্রয়োজনের সময় ক্যামেরা সহ ক্যামেরাম্যান, লাইট সহ লাইট ইউনিট ভাড়া নিয়ে কাজ সারা যায়।
কি কি কারনে নিজস্ব যন্ত্রপাতির চেয়ে ভাড়া যন্ত্রপাতি ব্যবহার সুবিধেজনক তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।

Wednesday, December 19, 2012

ভাইরাল ভিডিও তৈরীর কিছু পরামর্শ


ইউটিউবে ভিডিও প্রচার করে রাতারাতি খ্যাতিলাভ করেছেন এমন উদাহরনের অভাব নেই। কেউ নিজের গান রেকর্ড করে, যারা ভিডিও তৈরীতে আগ্রহি তারা সৃষ্টিশীল ভিডিও তৈরী করে। অনেকে শর্টফিল্ম তৈরী করতে চান, হাত পাকিয়ে একসময় সিনেমা-নাটক বানাতে চান। হয়ত তৈরীও করেছেন কিছু। কোথাও প্রচারের যায়গা পাচ্ছেন না। অনলাইনে প্রকাশ করে প্রচার বাড়াতে পারেন।
অনেকে বলেন বর্তমানে কেউ নিজের চোখে দেখে না। অন্যেরা যা দেখতে বলেন সেটাই দেখেন। কেউ ভাল বললে তাকে বাল বলেন। কোনভাবে পরিচিতি পেলে তার ওপর ভর করে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারেন।
কাজেই তাকে প্রচার করুন ইউটিউবের মত যায়গায়। এমনভাবে যেন লোকে সেটা নিয়ে আরোচনা করে। অন্যকে দেখায়। অনেকে একে বলেন ভাইরাল ভিডিও। কম্পিউটার ভাইরাসের মতই একজন থেকে আরেকজনের কাছে যায়।
কাজটি সহজ না। ঠিক কোন কারনগুলির জন্য কোন ভিডিও মানুষ পছন্দ করে বের করা কঠিন। সুখবর হচ্ছে একাজ আপনাকে করতে হবে না, যারা প্রচারনা নিয়ে গবেষনা করেন তারা নির্দিস্ট কিছু বৈশিষ্ট বের করেছেন। তাদের বক্তব্য, এদেরকে সাথর্কভাবে ব্যবহারে করলে আপনিও ভাইরাল ভিডিও তৈরী করতে পারেন।

Tuesday, December 6, 2011

কোন ধরনের ভিডিও ক্যামেরা কিনবেন

একসময় ভিডিও ক্যামেরা বলতে বুঝাতো ভিডিও টেপ। সাধারন ব্যবহারের জন্য ভিএইচএস, পেশাদারি কাজের জন্য বেটাক্যাম। বর্তমানে অধিকাংশ যায়গায় টেপের ব্যবহার কমে গেছে, অনেক ক্যামেরা নির্মাতা টেপভিত্তিক ক্যামেরা তৈরী বন্ধ করে দিয়েছে। সে যায়গা দখল করেছে ফ্লাশ মেমোরী, মেমোরী কার্ড, হার্ডডিস্ক, ডিভিডি সহ নানারকম মিডিয়া। এদের কোনটির সুবিধে কি, অসুবিধাই বা কি। আপনি ক্যামেরা কেনার সময় কোনটি পছন্দ করবেন। এ নিয়েই এই লেখা।

Monday, November 21, 2011

ভাল ভিডিও করার নিয়ম

ভিডিও রেকর্ড করার সময় আপনি চান সেটা সুন্দর হোক। ইচ্ছে করে খারাপ ভিডিও তৈরী করতে চায় না। তারপরও আপনার করা ভিডিও এবং টিভি বা মুভির ভিডিওতে বড় ধরনের পার্থক্য থেকে যায়। আপনি নিজেও বুঝতে পারেন পার্থক্য হয়েছে কিন্তু ঠিক কি কারনে হয়েছে সেটা হয়ত আপনার হিসেবে মেলে না।
যারা প্রফেশনাল ভিডিওগ্রাফার তারা বহুদিন প্রশিক্ষন নেন। সেখানে তাদেরকে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম শিখতে হয়। আপনিও এই নিয়মগুলিকে কাজে লাগাতে পারেন।

Friday, September 9, 2011

ক্যামেরা ট্রাইপডের ভাল-মন্দ

প্রফেশনাল ভিডিওর জন্য ট্রাইপড জরুরী। ক্যামেরাকে ৩ পা অলা ষ্ট্যান্ডের ওপর রাখলে একদিকে যেমন হাতকাপা জনিত সমস্যা দুর করা যায় তেমনি ক্যামেরার সোজা থাকা নিশ্চিত করা, সঠিক উচ্চতায় ব্যবহার সহ আরো বেশকিছু সুবিধে পাওয়া যায়। কমদামী ট্রাইপডের সমস্যা হচ্ছে এদের কোনটি নিজেই কাপে (ভাইব্রেশন)। এছাড়া ট্রাইপড কিসের তৈরী, ক্যামেরা লাগানোর অংশ, ট্রাইপড এর মাপ ইত্যাদি আরো বেশকিছু বিষয় ট্রাইপডের ভালমন্দ বিচারে ভুমিকা রাখে।
কোন ধরনের ক্যামেরার জন্য কিংবা কোন ধরনের কাজের জন্য কি দেখে ট্রাইপড বাছাই করবেন জেনে নিন।

Friday, September 2, 2011

প্রচারনার জন্য ভিডিও মার্কেটিং

ভিডিও এমন একটি বিষয় যে সম্পর্কে আগ্রহ অন্যকিছু থেকে বেশি। কোন পেজে ভিডিও থাকলে ভিজিটর সেদিকে দৃষ্টি দেয়। সেটা দেখার চেষ্টা করে। একে প্রচারনার কাজে ব্যবহার করে ভাল ফল পাওয়া যায় বলে বর্তমানে অত্যন্ত প্রচলিত। ইউটিউবে কোটি কোটি ভিডিও জমা হয়েছে একারনেই।
ভিডিও তৈরীর জন্য হলিউডের মত যন্ত্রপাতি কিংবা দক্ষতা প্রয়োজন নেই। সাধারন ক্যামেরা ব্যবহার করে, এমনকি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেই ভিডিও তৈরী করতে পারেন যে কেউ। এমনকি ক্যামেরা না থাকলেও ভিডিও তৈরী করতে পারেন। একে ব্যবহার করতে পারেন প্রচারনার জন্য।
প্রচারনার জন্য ৩০ সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিটের ভিডিও বেশি কার্যকর। ভিডিও তৈরীর জন্য বিভিন্ন টিউটোরিয়াল রয়েছে এই সাইটে। বরং একে কিভাবে মার্কেটিং এর কাজে ব্যবহার করা যায় সেটা দেখা যাক।

Thursday, September 1, 2011

নাইকন ডি৩১০০ লাইভ ভিউ এবং মুভি রেকর্ডিং

নাইকন ডি৩১০০ তাদের কমদামের এসএলআর ক্যামেরা। কমদামের কথাটা শূনে অনেকের আপত্তি থাকতে পারে এর মান সম্পর্কে। বাস্তবে গত কয়েক বছরে ডিজিটাল ক্যামেরায় এতটা উন্নতি হয়েছে যে আপনি বলতে পারেন বর্তমানের স্মার্টফোন কয়েক বছর আগের পিসির চেয়ে যেমন শক্তিশালী তেমনি কমদামের এই ক্যামেরা কয়েক বছর আগের উচুমানের ক্যামেরার থেকেও উন্নত ছবি পাওয়া যায়।
এই লেখা অবশ্য ষ্টিল ছবি নিয়ে না। বরং লাইভ ভিউ নামের ফিচার এবং ভিডিও রেকর্ড বিষয়ে।
কম্প্যাক্ট ক্যামেরা যারা ব্যবহার করেন তারা সবসময়ই এলসিডি ডিসপ্লে ব্যবহারে অভ্যস্থ। সেখানে ভিউফাইন্ডার থাকলেও সেটা ইলেকট্রনিক। মুল লেন্স দিয়ে যে ছবি পাওয়া যায় তারথেকে কিচুটা ভিন্ন। এসএলআর ক্যামেরার প্রধান বৈশিষ্ট হচ্ছে এর অপটিকাল ভিউফাইন্ডার। এর মাধ্যমে লেন্সের ভেতর দিয়ে দেখা যায়। যেকারনে এসএলআর ক্যামেরায় লাইভ ভিউ নামের এলসিডি বিষয়টি তুলনামুলক নতুন। এতেও লেন্সের ভেতর দিয়ে দেখা যায়।

Saturday, August 13, 2011

অল্প বিনিয়োগে প্রযুক্তি নির্ভর ব্যবসা ২

বর্তমান যুগের মানুষ ডিজিটাল জগতে বাস করে। টিভি, ডিভিডি, মোবাইল ফোন সব যায়গায় মানুষ ছবি, ভিডিও দেখতে পছন্দ করে। একে ব্যবসা হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। বলা হচ্ছে ভিডিও রেকর্ড করার কথা। বিয়ে, জন্মদিন, পারিবারিক অনুষ্ঠান, সেমিনার, পার্টি, খেলাধুলা, পিকনিক ইত্যাদির ভিডিও করে তাকে সিডি-ডিভিডি-ব্লুরে ডিস্কে তৈরী করে দেয়া।
সবচেয়ে বড় কাজ বিয়ের অনুষ্ঠান রেকর্ড করা। বিষয়টি সারা বিশ্বে জনপ্রিয়। এজন্য একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন রয়েছে যারা বিয়ের ভিডিও নিয়ে নানারকম পরার্মশ দেয়, অন্যদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে। আর বিয়ের অনুষ্ঠঅন মানুষের জীবনে আনন্দোচ্ছল একটি দিন যার স্মৃতি মানুষ ধরে রাখতে চায়। এর চাহিদা আগে যেমন ছিল, বর্তমানে বাড়ছে আগামীতে আরো বাড়বে।

Tuesday, August 2, 2011

ভিডিও করার সাধারন কিছু নিয়ম

বর্তমানে ভিডিও করার জন্য পৃথক ভিডিও ক্যামেরা প্রয়োজন হয় না। প্রায় সব ডিজিটাল ক্যামেরা তো বটেই এসএলআর ক্যামেরাতেও ভিডিও করা যায়। সেইসাথে স্মার্টফোনগুলিতে। আপনার পরিবারের কিংবা কোন অনুষ্টানের ভিডিও যেমন নিজে করে নিতে পারেন তেমনি পেষা হিসেবে বিয়ের বা অন্য অনুষ্ঠানের ভিডিও করতে পারেন ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়েই। আর যদি মুভি-ডকুমেন্টারী করতে চান সেটাও সম্ভব।
ভিডিও করার পর আপনার ভিডির মানকে অন্য ভিডিওর সাথে তুলনা করে দেখেছেন কি ? নিশ্চয়ই বড় ধরনের পার্থক্য পেয়েছেন। প্রফেশনাল ভিডিও গ্রাফাররা শতবর্ষ ধরে কাজ করে কিছু নিয়ম ঠিক করেছেন। সেই নিয়মগুলি মেনে আপনি নিজেও ভাল মানের ভিডিও করতে পারেন।

Tuesday, June 28, 2011

বিয়ের ভিডিও : দ্বিতীয় ক্যামেরা কেন প্রয়োজন

বিয়ের অনুষ্ঠান ভিডিও করা সারা বিশ্বেই একটি উল্লেখযোগ্য পেশা। সকলেই চান জীবনের এই বিশেষ দিনটিকে ভিডিওতে ধারন করে রাখবেন। আর বর্তমান যুগে ভিডিওর জনপ্রিয়তা আগের যে কোন সময়ের তুলনায় বেশি।
বিয়ের ভিডিও সাধারনত কন্ট্রাক্ট হিসেবে করা হয়। আপনাকে বলা হবে কয়দিন, কত সময় আপনি কাজ করবেন, কাজ শেষে কিভাবে কাজ জমা দেবেন এবং এর বিনিময়ে কত টাকা পাবেন। স্বাভাবিকভাবেই কাজ পাওয়ার জন্য খরচ কমানোর একধরনের প্রতিযোগিতা কাজ করে। যে কারনে অনেকসময়ই একটিমাত্র ক্যামেরা ব্যবহার করেই ভিডিও কাজ শেষ করা হয়।

Sunday, June 19, 2011

Videography: ভিডিওর জন্য বিভিন্ন ধরনের লাইট

আপনি যদি ভিডিও তৈরীতে আগ্রহি হন, সেটা বিয়ের ভিডিও হোক আর ডকুমেন্টারী, নাটক বা অন্য টিভি প্রোগ্রাম হোক, আপনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একটি বিষয় হচ্ছে লাইট। বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের লাইট ব্যবহার করা হয়। সেইসাথে নানাধরনের সামগ্রী। আপনি হয়ত শুনেছেন যারা কাজ করেন তারা বিভিন্ন ধরনের লাইটের জন্য বিশেষ কিছু শব্দ ব্যবহার করে। অনেক সময় স্থানীয়ভাবে প্রচলিত শব্দ। সেগুলি শেখার আগে আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত বিভিন্ন ধরনের লাইট এবং অন্যান্য আনুসাংগিক যন্ত্রের পরিচয় জেনে নিন। সত্যিকারের ভাল কাজের জন্য যদি কখনো বইপত্র পড়তে হয় সেখানে এই শব্দগুলিই পাবেন।
Fresnel উচ্চারন ফ্রা-নেল। একধরনের লেন্সের মধ্যে দিয়ে ব্যবহার করা হয়, ফলে অনেক দুর পর্যন্ত আলোর বিম পাওয়া যায়। এর স্পট (আলোকিত যায়গা) এবং ফ্লাড (ছড়ানো আরো) নিয়ন্ত্রন করার ব্যবস্থা রয়েছে।

Saturday, May 7, 2011

বিয়ের ভিডিও এডিটিং এর জন্য ইউলিড মিডিয়া ষ্টুডিও প্রো

কয়েক বছর আগে পিসিতে ভিডিও এডিটিং সফটঅয়্যারের ক্ষেত্রে প্রবল প্রতিদ্বন্দিতা ছিল এডবি প্রিমিয়ার এবং ইউলিড মিডিয়া ষ্টুডিও এই দুই সফটঅয়্যারের মধ্যে। সাধারন ব্যবহারকারীদের অনেকেই মনে করতেন প্রিমিয়ার থেকে ইউলিড এগিয়ে, কারন এতে রেন্ডার হয় খুব দ্রুত, ব্যবহার সহজ। এরপর অবশ্য দিন পাল্টেছে। প্রিমিয়ার যখন প্রো হয়েছে তখন এতে শুধুমাত্র সিংগেল লাইন এডিটিং রাখা হয়েছে, দুই ট্রাকের মাঝখানে ট্রানজিশন ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে ইউলিড মিডিয়া ষ্টুডিও তাদের নতুন ভার্শন ৮ বের করার সময়ও একাজ করেছে। সেটি মোটেও জনপ্রিয়তা পায়নি। ফল হচ্ছে, যারা অতিমাত্রায় ট্রানজিশন ব্যবহার করেন তারা সমস্যায় পড়েন। বিশেষ করে বিয়ের ভিডিও এডিট করার সময়, যেখানে গ্রাহক এগুলি চান।
অনেকের কাছেই এখনও সমাধান তাই ইউলিড মিডিয়া ষ্টুডিও-র সেই পুরনো ভার্শন, ৭ প্রো। হলিউড ইফেক্টস, ভিডিও ইফেক্টস, এক্সপ্লোড, এই প্লাগইনগুলি ইচ্ছেমত ব্যবহার করা যায়। মিডিয়া ষ্টুডিও বান্ডল এর সাথে অডিও এডিটিং, টাইটেল তৈরী, ভিডিও ক্যাপচার ইত্যাদির জন্য পৃথক সফটঅয়্যার রয়েছে।

Monday, April 25, 2011

ফ্রিল্যান্সার ভিডিও মেকার : আয় করুন ভিডিও তৈরী করে

ছবি উঠানো কিংবা ভিডিও তৈরী অনেকেরই শখ। বহু টাকা খরচ করে ক্যামেরা কিনে, বহু সময় ব্যয় করে শখ পুরন করেন। ইচ্ছে করলেই শখ পুরনের সাথেসাথে একে পেশা হিসেবে ব্যবহার করে আয় করতে পারেন।
আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ সে বিষয় নিয়েই ভিডিও তৈরী করতে পারেন। রান্না শেখানো থেকে চুল বাধা যাই হোক না কেন। এমনকিছু যা থেকে অন্যেরা কিছু শেখার সুযোগ পাবে। তারপর সেই ভিডিও পাঠিয়ে দেবেন যারা সেগুলি তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। সেইসাথে আপনি পাবেন অর্থ।

Friday, April 8, 2011

এডবি প্রিমিয়ার টিউটোরিয়াল : রাতের ভিডিও দিনে তৈরী

হলিউডের বহু ছবিতে রাতের দৃশ্য হয়ত লক্ষ্য করেছেন, রাতের হলেও দৃশ্য দেখা যায় স্পষ্টভাবেই। অথচ সেটা যে রাতের দৃশ্য তাও জানা যায়। এগুলি ধারন করা হয় দিনের বেলায় এবং এই পদ্ধতি ডে ফর নাইট শট (day for the night) নামে পরিচিত।
ধরুন আপনি সংসদ ভবনের সামনে কোন ঘটনার শ্যুটিং করতে চান। রাতের বেলা অনুমতি নেয়া যেমন কঠিন তেমনি এরজন্য সঠিক আলো, অন্যান্য যন্ত্রপাতি ইত্যাদি ব্যবহারের সমস্যাও বিপুল। যার অর্থ খরচ বৃদ্ধি। অথচ এই দৃশ্য দিনের বেলা ধারন করে তাকে রাতের ভিডিও হিসেবে দেখানো যায়। একদিকে খরচ যেমন কমবে, পরিশ্রম কমবে, তেমনি কম আলোয় ভিডিও করার কারনে সৃষ্ট নয়েজ এবং অন্যান্য সমস্যা থাকবে না।
এধরনের দিনে রেকর্ড করা ভিডিওকে এডবি প্রিমিয়ারে খুব সহজেই রাতের ভিডিওতে পরিনত করতে পারেন।

Monday, April 4, 2011

গ্রীন স্ক্রিন- ব্লু স্ক্রিন ব্যবহার করে পেতে পারেন আকর্ষনীয় ভিডিও

হলিউডের ছবিতে বহু অকল্পনীয় দৃশ্য সবসময়ই দেখা যায়। একশন ছবিতে একজন লাফিয়ে এক বিল্ডিং এর ছাদ থেকে আরেক বিল্ডিং এর ছাদে গিয়ে পড়ল, কিংবা রীতিমত উড়ে গেল শুন্যে। বাস্তবে এক বিল্ডিং থেকে আরেক বিল্ডিং এ লাফ দিয়ে শ্যুটিং করার কোন কারন নেই, কিংবা শুণ্যে ওড়ারও কারন নেই।
কিংবা ধরুন এলিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ডের মত ছবি। ওধরনের জগত তৈরী করে সেখানে অভিনয় করারও কোন কারন নেই।
কিংবা আরো পরিচিত উদাহরন দেখা যাক। একজন সংবাদপাঠক সংবাদ পাঠ করছেন, তিনি বসে রয়েছেন ঘরের মধ্যে, তার পেছনে দেখা যাচ্ছে  রাস্তার চলমান দৃশ্য।
এগুলি গ্রিন স্ক্রিনের কারসাজি। যার ভিডিও করা হয়েছে বা হচ্ছে তার পেছনে রয়েছে সবুজ রঙের একটি পর্দা। সফটঅয়্যারকে বলে দেয়া হয় সেই রংকে ট্রান্সপারেন্ট করে দিতে। ফলে সেট উধাও হয়ে যায়। তার বদলে ব্যবহার করা হয় অন্য ভিডিও কিংবা এনিমেশন।

Sunday, April 3, 2011

ফটোগ্রাফি বাংলা টিউটোরিয়াল : ট্রাইপড কেন ব্যবহার করবেন

ক্যামেরা নির্মাতা কিংবা লেন্স নির্মাতা তাদের ষ্ট্যাবিলাইজেশনের বর্ননা এমনভাবে দেন যেন আপনি ভুমিকম্পের সময় ছবি উঠালেও তার প্রভাব পড়বে না ছবিতে। আপনি নিখুত ছবি পাবেন। যারা ছবি উঠান তারা খুব ভাল করেই জানেন বাস্তবতা আসলে কি।
তাদের বক্তব্য একেবারে ভুল সেকথা বলা হচ্ছে না। ষ্ট্যাবিলাইজেশন থাকা আর না থাকার মধ্যে পার্থক্য অনেকখানি। তারপরও, ষ্ট্যাবিলাইজেশন সব প্রয়োজন মেটায় না। বিশেষ বিশেষ সময়ে আপনার প্রয়োজন ট্রাইপড নামের একটি বস্তু।
প্রথমে ষ্ট্যাবিলাইজেশন বিষয়টি কি একটু জেনে নেয়া যাক। আপনি যখন ছবি উঠান তখন সাটার রিলিজ চাপ দেয়ার সময় কিছু সময়ের জন্য সেন্সরের সামনে থেকে সাটার সরে যায়, সেন্সরে আলো পড়ে এবং সামনে যাকিছু আছে সেটা আকা হয় সেখানে। এই সময় সেকেন্ডের হাজার ভাহের একভাগ থেকে শুরু করে কয়েক সেকেন্ড পর্যন্ত হতে পারে।
এই সময়ে যদি আপনার হাত কাপে (যা খুবই স্বাভাবিক) তাহলে তার প্রভাব পড়বে ছবিতে। হয়ত ছবিতে বিন্দুর ছবি উঠাচ্ছেন। ছবি উঠানোর এক মুহুর্তে বিন্দুটি এক যায়গা থেকে আরেক যায়গায় সরে গেল হাত কাপার কারনে। যার অর্থ আপনি ছবিতে দেখতে পাবেন বিন্দুটি এক যায়গার পরিবর্তে ঝাপসা হয়ে সরে গেছে। ছবির ধারালো প্রান্ত দেখে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই সমস্যা আপনি নিজেই যাচাই করতে পারেন। সাটার স্পিড যত কম থাকবে এটা ঘটার সম্ভাবনা তত বেশি। আবার দুরত্ব যত বেশি হবে, সামান্য হাতকাপার প্রভাবও সেখানে প্রকটভাবে দেখা যাবে। অথচ আপনার দুরের ছবিও তোলা প্রয়োজন, কম আলোতে ছবি উঠানোর জন্য সাটার স্পিড কম রাখাও প্রয়োজন।

Saturday, April 2, 2011

ভিডিও এডিটিং টিউটোরিয়াল : ভিডিও ক্যাপচারের জন্য হার্ডঅয়্যার এবং সফটঅয়্যার

একসময় ভিডিও রেকর্ড করা বলতে শুধুমাত্র টেপে রেকর্ড করা বুঝাত। এডিটিংএর জন্যও ব্যবহার করা হত ভিসিআর জাতিয় যন্ত্রপাতি। বর্তমানে ভিডিও এডিটিং এর জন্য ব্যবহার করা হয় কম্পিউটার। কাজেই ভিডিও যদি টেপে থাকে তাহলে তাকে কম্পিউটারের ভিডিও ফাইল হিসেবে পেতে হয়। সাধারন ধারনায় এটাই ভিডিও ক্যাপচার।
ভিডিও ক্যাপচারের জন্য প্রয়োজন ক্যাপচার কার্ড নামের বিশেষ হার্ডঅয়্যার। এরসাথে ভিসিআর কিংবা ক্যামেরা সংযোগ দিয়ে সেটা প্লে করা হয় এবং বিশেষ সফটঅয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারে রেকর্ড করা হয়।
যদি টেপ ব্যবহার করা হয় (মিনি-ডিভি, এইচডিভি, ডিভিক্যাম, হাই-৮ কিংবা বেটাক্যাম) তাহলে এটা এখনও প্রচলিত পদ্ধতি। পার্থক্য হচ্ছে কোন কোন ক্যামেরায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্যাপচার করার ব্যবস্থা রয়েছে। যেমন এইচডিভি কিংবা মিনি ডিভি থেকে রেকর্ড করার জন্য প্রচলিত ক্যাপচার কার্ডের বদলে ফায়ারঅয়্যার পোর্ট (আইইই-১৩৯৪) ব্যবহার করা যায় এবং এই কার্ড অনেক সময় কম্পিউটারের মাদারবোর্ড কিংবা গ্রাফিক্সকার্ডের সাথে বিল্টইন অবস্থায় থাকে। যদি না থাকে তাহলেও হাজারখানেক টাকার মধ্যে এই কার্ড কিনে নেয়া যায়। কোন কোন ক্যামেরা থেকে ইউএসবি পোর্ট ব্যবহার করেও ভিডিও ফাইল সেভ করা যায়।

Friday, April 1, 2011

পেশা হিসেবে বিয়ের ভিডিও তৈরী : কি কি জানা প্রয়োজন

বিয়ের ভিডিও রেকর্ড করা সারা বিশ্বের একটি পরিচিত পেশা। প্রতিমাসে বহু সংখ্যক বিয়ে হচ্ছে, প্রায় প্রত্যেকেই চান তাদের জীবনের সেই মুহুর্তগুলিকে ছবি এবং ভিডিওর মাধ্যমে ধরে রাখতে। এজন্য রয়েছে ওয়েডিং এন্ড প্রোর্ট্রেট ফটোগ্রাফারস ইন্টারন্যাশনাল (WPPI) নামে একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন। সারা বিশ্বের ফটোগ্রাফার এবং ভিডিওগ্রাফাররা সদস্য হয়ে নিজেদের মত বিনিময় করতে পারে। সেখান থেকে বেরিয়ে আসে নানারকম পরামর্শ। নানারকম নিয়মকানুন। সেই নিয়মগুলি মেনে উপকৃত হন অন্যরাও।
এদের অনেকেই পেশাদার ভিডিওমেকার। তারা বিয়ের ভিডিওকে শুধুমাত্র ভিডিও রেকর্ড করা মনে করেন না, একধরনের ডকুমেন্টারী মনে করেন। এর মাধ্যমে তারা আকর্ষনীয় একটি ভিডিও তৈরী করে দেন।