Showing posts with label Graphic Design. Show all posts
Showing posts with label Graphic Design. Show all posts

Wednesday, August 13, 2014

বহুল ব্যবহৃত যে ধরনের লোগো থেকে দুরে থাকবেন



ঘরবাড়ি বিষয়ক লোগো তৈরীর সময় প্রথমেই আপনি যা ভাবেন তা হচ্ছে, দোচালা ছাদ, কার্নিস, জানালা কিংবা বাক্সের মত বিল্ডিং। এমন কিছু যা দেখে সহজেই বোঝা যায় লোগোর পেছনের কোম্পানীর কাজ কি।
কখনো ভেবে দেখেছেন কি আপনার মত লক্ষ লক্ষ ডিজাইনার একই কথা ভাবেন। ফল হচ্ছে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে লক্ষ লক্ষ লোগো যা মুলত একই। শুধুমাত্র রং পরিবর্তণ করেই এক কোম্পানীর লোগোকে অন্য কোম্পানীর লোগো বানানোর উদাহরনের অভাব নেই। অতি ব্যবহারের কারনে এদেরকে বলা হয় জেনেরিক লোগো।

ক্লায়েন্ট যদি এতে আপত্তি না করেন তাহলে এধরনের ডিজাইনে দোষের কিছু নেই। সমস্যা হয় যখন তিনি নতুন কিছু চান। এই চাওয়ার ধরন একেকজনের একেকরকম। কেউ বলেন নতুনত্ব চাই, কেউ বলেন ক্রিয়েটিভ লোগো চাই, কেউ বলেন ইউনিক লোগো চাই, কেউ বলেন ক্লিপআর্ট চাই না। এখানে ক্লিপআর্ট বলতে অন্য ছবি বুঝানো হয় না, এমন কি যা দেখে ক্লিপআর্ট মনে হতে পারে সেটাই বুঝায়।
জেনেরিক লোগো চিনতে সহায়তা করার জন্য কিছু উদাহরন দেখানো হচ্ছে এখানে।

Saturday, July 26, 2014

লোগো ডিজাইনে গোল্ডেন রেশিও



চিত্রকর্মের সাথে কি অংকের সম্পর্ক আছে ?
সাধারনভাবে প্রশ্নটা অদ্ভুত মনে হলেও যারা এবিষয়ে কিছুটা পড়াশোনা করেছেন তারা দ্রতই বলবেন, আছে। লিওনার্দো দা ভিঞ্চি থেকে পাবলো পিকাসো পর্যন্ত সকলের ছবি নিখুত জ্যাতিমিক ছকে আকা। একসময় শিল্পীরা জ্যামিতিক ছকনির্ভর ছবিতে এতটাই আগ্রহ দেখিয়েছিলেন যে অনেকে বলতেন শিল্পী হওয়ার জন্য স্কেল, কম্পাস থাকাই যথেস্ট।
আর্শ্চজনকভাবে চিত্রকর্মের সাথে গনিতের এই সম্পর্ক প্রতিস্ঠা করে গেছেন ফিবোনাচি নামে একজন ইটালিয়ান গনিতবিদ, ১২০২ সালে। তার নামানুসারে একে বলা হয় ফিবোনাচি ফাংশন। ১৮৬০ সালে জার্মান পদার্থবিদ এবং মনোবিজ্ঞানী গুস্তাভ থিওডোর ফেচনার দেখিয়েছেন সরল একটি অনুপাত প্রকৃতিতে সমতা রক্ষা করে। ফিবোনাচি ফাংশনকে আরো সরলভাবেভাবে বলা হয় গোল্ডেন রেশিও, কারন দুজনের পদ্ধতি একই অংক প্রকাশ করে। এর মান ফাই Φ (১.৬১৮০৩৩৯৮৮৭৪ ...) এর সমান।

ফাই পুরোপুরি অংকের বিষয়। সেদিকে না গিয়ে বরং ব্যবহারিক অর্থে দেখা যাক সেটা কি।

Monday, July 21, 2014

গ্রাফিক ডিজাইনে ক্রিয়েটিভিটি নিয়ে বিভ্রান্তি



সত্যজিত রায় তার প্রথম গল্প লিখেছিলেন ইংরেজিতে। নাম এবষ্ট্রাকশন। বিষয় একজন চিত্রশিল্পী। শুরুতে তাকে দেখা যায় খবরের কাগজ হাতে। সেটা যে উল্টোদিকে ধরা সেটাও লক্ষ্য করেননি। শির্পীরা মনভোলা হন এটাই স্বাভাবিক। আসলে তিনি একটি ছবি আকা নিয়ে চিন্তিত।

এক প্রদর্শনীর জন্য তিনি ছবি আকছেন। তার নিজেরই খুব পছন্দ হল আকার পর। সেটা প্যাকেট করে পাঠিয়ে ঘরে ফিরলেন। কয়েকদিনের অগোছালো ঘর পরিস্কার করতে গিয়ে তার চক্ষুস্থির। তার ছবিটা পরে রয়েছে চেয়ারের নিয়ে। ভুল করে অন্যকিছু পোষ্ট করে এসেছেন।
বিক্ষিপ্ত মন নিয়ে তিনি পরবর্তী কয়েকদিন কাটালেন। একদিন প্রদর্শনীতে গেলেন তেমন আগ্রহ ছাড়াই। পুরো প্রদর্শনী ঘরে দেখলেন। সবশেষে এসে দাড়ালেন একেবারে শুরুতে পুরস্কার পাওয়া যে ছবি রয়েছে তার সামনে। তিনি বুঝলেন না সেটা কিসের ছবি। একসময় দৃষ্টি গেল শিল্পীর নামের দিকে, তার নিজের নাম লেখা।

Wednesday, August 28, 2013

লোগো ডিজাইনে ইলাষ্ট্রেটরের বিকল্প ইংকস্কেপ



লোগো ডিজাইন বা অন্য ভেক্টর গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য যারা ইলাষ্ট্রেটর ব্যবহার করেন এবং নতুন ভার্শনের খোজ রাখেন তারা হয়ত এরইমধ্যে জেনে গেছেন সিএস-৬ ইলাষ্ট্রেটর (এবং এর সাথে ফটোশপ সহ অন্যান্য সফটঅয়্যার) এর সব শেষ ভার্শন। এরপর তারা নতুন কোন ভার্শন রিলিজ দেবে না। যাকিছু আপডেট সেটা করবে অনলাইনে ব্যবহারের জন্য। বর্তমানে সেকাজ করা হচ্ছে ইলাষ্ট্রেটর ক্রিয়েটিভ ক্লাউড (সিসি) নামে। এটা ব্যবহারের জন্য টাকা দিয়ে সদস্য হতে হয় এবং দ্রুতগতির ইন্টারনেট প্রয়োজন হয়। দুটিই বাংলাদেশের জন্য অসুবিধাজনক।

এডবি যদি এই পদ্ধতিতে সুবিধে করতে পারে তাহলে অন্যান্য কোম্পানীও হয়ত একসময় ইনষ্টল করার মত সফটঅয়্যার বন্ধ করে দেবে। সেকারনে অনেকেই এখন থেকে বিকল্প খোজ করছেন।

Saturday, July 27, 2013

লোগো ডিজাইন প্রতিযোগিতার কিছু বিবেচ্য বিষয়



অনেক ফ্রিল্যান্সার প্রোজেক্টে বিড করার পরিবর্তে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে বেশি পছন্দ করেন। ফ্রিল্যান্সিং জব সাইটগুলিও এধরনের বিষয়ে বেশি আগ্রহ দেখায়।
প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার সুবিধে অনেক। বিড করে কাজ না পাওয়া পর্যন্ত নিজের যোগ্যতা দেখানোর সুযোগ থাকে না। প্রতিযোগিতায় সরাসরি ভাল কাজ করে নিজেকে তুলে ধরা যায়। এছাড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কারের অর্থমুল্য সাধারনত বিড করা কাজের থেকে বেশি থাকে।

প্রতিযোগিতার অনেকগুলি ধরন থাকে। এদের প্রত্যেকেরই সুবিধা-অসুবিধা দুই রয়েছে। একেকটি এককজনের জন্য মানানসই। এগুলি বিবেচনা করে নিজের জন্য মানানসই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ভাল ফল পেতে পারেন।

Thursday, July 11, 2013

লোগো ডিজাইনের সময় বিবেচ্য কিছূ বিষয়



লোগো এক ধরনের প্রতিক। কোন ব্যবসা প্রতিস্ঠান এর মাধ্যমে তাদের পন্য, প্রতিস্ঠান, ক্রেতার আগ্রহের বিষয় সবকিছু প্রকাশ করতে চান। সেকারনে যিনি লোগো ডিজাইন করবেন তিনি বক্তব্যের বিষয়ে যত বেশি সচেতন থাকবেন তত নিখুত লোগো ডিজাইন করা সহজ হবে।
ফ্রিল্যান্সিং সাইটগুলি ক্লায়েন্টকে লোগো বর্ননার জন্য নির্দিস্ট কিছু প্রশ্ন করেন। অনেক ক্লায়েন্ট সেগুলি ঠিকভাবে তুলে ধরেন, অনেকে করেন না। কেউ কেউ এরসাথে অতিরিক্ত নিজস্ব তথ্যও তুলে ধরেন।

উইলোগো সাইটে প্রতিস্ঠানের পরিচিতি, লোগোতে ঠিক কি লেখা থাকবে, কি রং ব্যবহার করতে হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড রং কি হবে ইত্যাদি নির্দিস্ট করে উল্লেখ করার পরও একটি চার্টের মাধ্যমে অতিরিক্ত কিছু তথ্য তুলে ধরা হয়। ভাল লোগো ডিজাইন করার জন্য এই পদ্ধতি কতটা উপকারি সে নিয়েই এই পোষ্ট।

Thursday, July 4, 2013

লোগো এবং গ্রাফিক ডিজাইন কাজের জন্য ডিজাইন-কন্টেষ্ট



ডিজাইন-কন্টেষ্ট, নাম থেকেই বোঝা যায় এখানে গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ হয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। ২০০৩ সাল থেকে চলে আসা এই সাইটটি পশ্চিমা দেশগুলিতে জনপ্রিয়। সব ধরনের ডিজাইনের কাজ থাকলেও মুলত লোগো ডিজাইনের কাজ বেশি।

তাদের মুল বৈশিস্ট তারা ভাল মানের ডিজাইন দিতে চেষ্টা করে। সেকারনে ডিজাইনারদের সুবিধা এবং অসুবিধা দুইই হতে পারে।
সুবিধার দিক হচ্ছে ডিজাইনপ্রতি পুরস্কারের পরিমান বেশি (ফ্রিল্যান্সার এর তুলনায়)। আর অসুবিধার দিক হচ্ছে যারা সত্যিকারের ভাল ডিজাইনার তারা বেশি সুবিধে করতে পাবেন।

Saturday, June 8, 2013

লোগো ডিজাইন প্রতিযোগিতার জন্য wilogo



প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইন ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে। এরমধ্যে লোগো ডিজাইন রয়েছে শীর্ষে। কোন কোন সাইটে মুলত লোগো ডিজাইনের কাজই প্রধান। ৯৯-ডিজাইন, লোগো টুর্নামেন্ট, ফ্রিল্যান্সার ইত্যাদির নাম করা যায় এই তালিকায়।

এধরনের আরেকটি সাইট উইলোগো। ২০০৬ সাল থেকে সাইটটি চালু আছে। বর্তমানে তাদের কাজের ৮০ ভাগই লোগো ডিজাইনের। বাকি কাজগুলির মধ্যে রয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইন, ওয়েব ব্যানার, বিজ্ঞাপন, টি-সার্ট, টুইটার-ফেসবুক পেজ, প্রিন্ট এবং প্যাকেজ ডিজাইন ইত্যাদি। নির্দিষ্ট ধরন অনুযায়ী সহজে কাজ খূজে বের করা যায়।
কাজের নিয়ম খুব সহজ। বিনামুল্যে সদস্য হবেন। এরপর কাজের তালিকা থেকে কাজ পছন্দ করে ডিজাইন জমা দেবেন। সেরা ডিজাইনটি পুরস্কারের অর্থ পাবে।

Wednesday, May 29, 2013

লোগো এবং গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য বিনামুল্যের ফন্ট



গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য ফন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন একটি বিষয়। লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে একেবারে প্রাথমিক হাতিয়ার। অনেক লোগো শুধুমাত্র বিশেষ ফন্ট ব্যবহার করে তৈরী করা হয়।

সেকারনেই ডিজাইনারদের সবসময়ই নতুন ধরনের ফন্ট খোজ করতে হয়। ফন্টের উতস হতে পারে নানান যায়গা। এখানে বিনামুল্যের ফন্ট ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা এবং সেগুলি পাওয়ার কিছু যায়গার খোজ দেয়া হচ্ছে।

Friday, April 26, 2013

লোগো ডিজাইন প্রতিযোগিতার ভাল-মন্দ



কোন কাজ করার জন্য যখন নির্ভরশীল নির্দিস্ট কাউকে পাওয়া যায় না তখন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়, এই পদ্ধতি চালু রয়েছে শতশত বছর ধরে। তারই পথ ধরে ফ্রিল্যান্সিং কাজে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কাজ করানো জনপ্রিয় বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। কোন কোন জব সাইট শুধুমাত্র প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই কাজ করার ব্যবস্থা রেখেছে।
লোগো ডিজাইন যখন কাজ তখন এই পদ্ধতি আরো বেশি কার্যকর। ডিজাইনার নিজের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী লোগো তৈরী করে জমা দেবেন। ক্লায়েন্ট নানা ধরনের লোগো থেকে নিজের পছন্দমত লোগো বেছে নেবেন। ৯৯-ডিজাইন, লোগো টুর্নামেন্ট কিংবা জবসাইট হিসেবে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সারে সবসময়ই শতশত প্রতিযোগিতার দেখা পাওয়া যাবে।
প্রতিযোগিতা কিভাবে হয় কিছুটা ধারনা পেতে পারেন এভাবে। যার লোগো প্রয়োজন তিনি লোগো তৈরীর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য এবং পুরস্কারের পরিমান প্রকাশ করেন। যেমন ৯৯-ডিজাইন এ সাধারন লোগোর জন্য ৪৯৯ ডলার, উচুমানের লোগোর জন্য আরো বেশি। ফ্রিল্যান্সারে একসময় ৩০০ ডলারের একটি নিয়ম ছিল, বর্তমানে সেটা কমিয়ে ৩০ ডলারে আনা হয়েছে। ক্লায়েন্ট ৩০ ডলার থেকে শুরু করে ৫০০ কিংবা হাজার ডলার দিতে পারেন পুরস্কার হিসেবে। টাকা কমিয়ে আনায় কাজের সংখ্যা বেড়েছে বিপুল পরিমান। অন্যদিকে কমটাকায় কাজের সুযোগের কারনে তুলনামুলক কম অভিজ্ঞ ডিজাইনাররাও সেখানে ভাল করার সুযোগ পাচ্ছেন।
লোগো ডিজাইন প্রতিযোগিতায় অংশ নেবেন কিনা সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার ভালমন্দ বিষয়ক তথ্যগুলি সহায়তা করতে পারে।

Thursday, April 11, 2013

লোগো ডিজাইনের জন্য কি কি তথ্য প্রয়োজন



অনলাইনে গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য লোগো ডিজাইন ফ্রিল্যান্সাদের অত্যন্ত পছন্দের বিষয়। অনেকে শুধুমাত্র লোগো ডিজাইন বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করেন এবং শুধুমাত্র একাজই করেন। একই ধরনের কাজ সবসময় করার ফলে একদিকে দ্রুত দক্ষ হওয়া সম্ভব অন্যদিকে লোগো ডিজাইন থেকে আয় অন্য গ্রাফিক ডিজাইন থেকে বেশি। লোগো ডিজাইন করে ১০ ডলার থেকে শুরু করে ৫০০ ডলার কিংবা আরো বেশি আয় হতে পারে।
লোগো ডিজাইনের জন্য শুরুতেই জেনে নেয়া প্রয়োজন ক্লায়েন্ট লোগোতে কি চান। লোগো এক ধরনের প্রতিক। এতে ব্যবসার ধরন, ব্যবহারকারীদের প্রত্যাসা থেকে শুরু করে বিষয়ভিত্তিক রং কিংবা ক্লায়েন্টের ব্যক্তিগত পছন্দ সবকিছুই বিবেচনায় আনতে হয়। শুরুতেই বিষয়টি ঠিক করে না নিলে কাজ করা যেমন কঠিন হয় অন্যদিকে পরবর্তীতে নানাধরনের পরিবর্তণ প্রয়োজন হয়।

Monday, March 4, 2013

আইকন এবং লোগো ডিজাইন : ফটোশপ বনাম ইলাষ্ট্রেটর



আইকন কিংবা লোগো ডিজাইনের জন্য ফটোশপ ব্যবহার করবেন নাকি ইলাষ্ট্রেটর ব্যবহার করবেন এটা অনেকের কাছে বড় প্রশ্ন। অন্য কথায়, বিটম্যাপ সফটঅয়্যার ব্যবহার করবেন না-কি ভেক্টর ব্যবহার করবেন। এই প্রশ্নের ওপর নির্ভর করে ডিজাইনার কোন সফটঅয়্যার শেখার দিকে বেশি দৃষ্টি দেবেন।
এককথায় এপ্রশ্নের উত্তর দেয়ার উপায় নেই।  অনেক ক্লায়েন্ট সরাসরি উল্লেখ করে দেন তিনি ভেক্টর ফরম্যাট চান, সেক্ষেত্রে ইলাষ্ট্রেটর (অথবা কোরল ড্র) ব্যবহার ছাড়া উপায় নেই। আবার অনেকে ফটোশপ উল্লেখ করে দেন।
কাজেই কোন সফটঅয়্যারে লোগো বা আইকন ডিজাইন করবেন তার প্রথম উত্তর, ক্লায়েন্ট যেভাবে চান।
এরপরও ভেক্টর এবং বিটম্যাপ দুধরনের সফটঅয়্যারেই কিছু সুবিধে-অসুবিধের বিষয় রয়েছে। ভেক্টরকে বিপম্যাপে পরিনত করা যায়, বিটম্যাপকে ভেক্টরে পরিনত করা যায় না, সেকারনে ভেক্টর সম্পর্কে বেশি আগ্রহ থাকলেও কখনো কখনো বিটম্যাপ থেকে ভাল ফল পাওয়া যায়।
ভেক্টর এবং বিটম্যাপের সুবিধে-অসুবিধে নিয়ে এই পোষ্ট।

Friday, February 15, 2013

কমিক এবং ইলাষ্ট্রেশনের জন্য মাংগা ষ্টুডিও


কমিক কতটা জনপ্রিয় উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না। সুপারম্যান, ব্যাটম্যান, আয়রনম্যান, স্পাইডারম্যান ইত্যাদি কমিক বই ছাড়িয়ে টুডি-থ্রিডি কার্টুন হয়ে চলচ্চিত্রে যায়গা করে নিয়েছে। টিনটিন পাওয়া যায় পৃথিবীর সব প্রধান ভাষায়।
সেতুলনায় বাংলা নিজস্ব কমিক প্রায় নেই। ভারতে বেশকিছু উচুমানের কমিক তৈরী হলেও বিশ্বব্যাপি কমিকের যে জনপ্রিয়তা তার তুলনায় অনেক পিছিয়ে। বিশেষ করে জাপানী কমিক যেখানে নিজস্ব পরিচিতি তৈরী করেছে।
জাপানী কমিকের জনপ্রিয়তা শুধু জাপানে থেমে নেই, ছড়িয়ে পড়েছে বিশ্বব্যাপি। তাদের বিশেষ ষ্টাইলের নাম মাংগা। আশ্চর্যজনকভাবে বিশ্বের জনপ্রিয় কমিক তৈরীর একটি সফটঅয়্যারের নাম মাংগা ষ্টুডিও।

Tuesday, August 21, 2012

ভাল ডিজাইন মন্দ ডিজাইন কিভাবে পৃথক করবেন


ভাল ডিজাইন দেখতে ভাল, মন্দ ডিজাইন মন্দ এমনটাই হওয়ার কথা। একজন গ্রাফিক ডিজাইনার জানেন বিষয়টা এতটা সরল না। তি ডিজাইন করে মনে করছেন ক্লায়েন্ট পছন্দ না করে যায় না। নিশ্চয়ই এজন্য প্রশংসা পাওয়া যাবে। বদলে সমালোচনা শুনতে হল।
একজন ফ্রিল্যান্সারের কাছে ডিজাইনের ভাল-মন্দ জানা কাজে দক্ষতা বাড়ানোর থেকেও জরুরী।  সেটা স্থানীয় কাজেই হোক আর অনলাইন কাজই হোক। এর ওপর ভিত্তি করে তিনি চেষ্টা করতে পারেন কাজকে উন্নত করার।
ডিজাইনের ভালমন্দ যাচাইয়ের কিছু নিয়ম উল্লেখ করা হচ্ছে এখানে।

Tuesday, July 17, 2012

ইলাষ্ট্রেটর-ভেক্টর ডিজাইনের জন্য ষ্টক রেফারেন্স ব্যবহার


ঐতিহাসিকভাবে শিল্পীরা সামনে মডেল রেখে ছবি আকেন। ডিজিটাল যুগে এই পদ্ধতিকে সব ধরনের শিল্পকর্মে ব্যবহার করা যায়, ভেক্টর আর্ট সহ। ষ্টক ইমেজ কিভাবে ভেক্টর ডিজাইন সহজ করতে পারে সেকথা উল্লেখ করা হচ্ছে এই পোষ্টে।

Monday, July 9, 2012

ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড বাদ দেয়ার জন্য AKVIS SmartMask


গ্রাফিক ডিজাইনের সময় ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড বাদ দেয়া একটি গুরুত্বপুর্ন কাজ। কাজটি একদিকে সময়সাপেক্ষ অন্যদিকে শুধুমাত্র ফটোশপ বা এধরনের সফটঅয়্যার ব্যবহার করে একেবারে নিখুত ফল পাওয়া কষ্টকর। চুল, লোম, গাছের পাতা, ঘাস, কাচ বা স্বচ্ছ পরদা ইত্যাদি সিলেক্ট করার সময় অভিজ্ঞদেরও হিমসিম খেতে হয়।
এই কাজ সহজ হরার জন্য রয়েছে পৃথক সফটঅয়্যার। সরাসরি সফটঅয়্যার হিসেবে ব্যবহার করা যায় আবার ফটোশপ এবং অন্যান্য ইমেজ এডিটিং সফটঅয়্যারের প্লাগইন হিসেবে সফটঅ্যারের ভেতর থেকে ব্যবহার করা যায়।

Wednesday, June 20, 2012

গ্রাফিক ডিজাইনে ফটোশপ-ইলাষ্ট্রেটর দুটি প্রয়োজন হয় কেন


গ্রাফিক ডিজাইনে যারা নতুন কিংবা শিখতে আগ্রহি তারা অনেক সময়ই বিভ্রান্তিতে পড়েন সফটঅয়্যার নিয়ে। ফটোশপ শিখবেন নাকি ইলাষ্ট্রেটর শিখবেন এই সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যায় পড়েন। তাদের জন্যই এই পোষ্ট।
বিষয়টিকে যদি যুক্তি দিয়ে দেখেন তাহলে হতে পারে এমন, ফটোশপ এবং ইলাষ্ট্রেটর দুটি সফটঅয়্যারই এডবির তৈরী। যদি একটি দিয়ে কাজ চলত তাহলে দুটি পৃথক সফটঅয়্যার প্রয়োজন হত না। এই যুক্তিতে দুটিই প্রয়োজন।
কোন সফটঅয়্যারের বৈশিষ্ট কি, সিমাবদ্ধতা কি একবার দেখে নেয়া যাক।

Monday, May 14, 2012

ভাল লোগো ডিজাইনের উদাহরন


ছবি হাজার কথা বলে। লোগো ডিজাইনের সব কোনদিকে দৃষ্টি দিতে হয়, কিভাবে বক্তব্য তুলে ধরতে হয় সেকথা যতই বলা হোক, দৃষ্টান্ত না দেখা পর্যন্ত বোঝা কঠিন। এধরনের কিছু উদাহরনযোগ্য লোগো এখানে দেখানো হচ্ছে।
প্রতিটি লোগোতে মুলত টেক্সট ব্যবহার করা হয়েছে সেইসাথে এমন গ্রাফিক সেপ তৈরী করা হয়েছে যা সেই লোগোর পেছনের কাজ প্রকাশ করে।

Sunday, May 13, 2012

ইমেজ ব্যবহারের কিছু টিপস


যারা গ্রাফিক ডিজাইন করেন তাদেরকে ইমেজ ব্যবহারের সবকিছুই জানতে হয়। যাদের ডিজিটাল ফটোগ্রাফির শখ কিংবা পেশা তাদেরকেও ইমেজ নানাভাবে ব্যবহারের বিষয়গুলি জানতে হয়। এমনকি নির্দিস্ট কাজ ছাড়াও কখনো বিশেষ মুহুর্তে বা নিতান্ত শখের বশে কিছু কাজ করা প্রয়োজন হয়।
ইমেজ ব্যবহারের সহজ কিছু পদ্ধতি এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে।

Saturday, May 12, 2012

ইলাষ্ট্রেটরে Web 2.0 ব্যাজ তৈরী


ওয়েব ২.০ নামের বিশেষ ধরনের গ্রাফিক ষ্টাইল বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয়। ওয়েবপেজের জন্য যেমন লোগো তৈরীতেও তেমন। খুব সহজে ওয়েব ২.০ ব্যাজ তৈরী টিউটোরিয়াল দেয়া হচ্ছে এখানে।
ওয়েব ২.০ ব্যাজ আসলে কি ? একধরনের পানির মত ইফেক্ট, উজ্জল চকচকে রং, গ্রাডিয়েন্ট ফেড, সাধারনত গোলাকার কোনা ইত্যাদি এর বৈশিষ্ট।