Showing posts with label Adobe After Effects. Show all posts
Showing posts with label Adobe After Effects. Show all posts

Sunday, September 18, 2011

এডবি আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করে বৃষ্টি তৈরী

ভিডিওতে ঝড়, বৃষ্টি, জলোচ্ছাস, তুষারপাত, আলোর ফুলকি, আগুন ইত্যাদির জন্য ম্যাক্স, মায়া ইত্যাদি থ্রিডি এনিমেশন সফটঅয়্যারের ব্যবহার এত বেশি যে অনেকসময় ধরেই নেয়া হয় এই কাজ করার জন্য থ্রিডি এনিমেশন সফটঅয়্যারই ব্যবহার করতে হবে। বাস্তবে এডবি আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করেও বাস্তবসম্মত বৃষ্টি তৈরী করতে পারেন। সেখানে বৃষ্টির ফোটার পরিমান, আকার, রং, পতনের সময় ইত্যাদি যেমন ঠিক করে দেবেন তেমনি বৃষ্টি মাটিতে পড়লে কতটা লাফিয়ে উঠবে তারপর মিলিয়ে যাবে সেটাও নির্দিস্ট করে দিতে পারেন।
এধরনের কোন ইফেক্ট সাধারনভাবে পার্টিকেল নামে পরিচিত। আফটার ইফেক্টস এরসাথে বেশকিছু পার্টিকেল তৈরীর ব্যবস্থা দিয়ে দেয়া হয়। এছাড়া পৃথকভাবে প্লাগইন হিসেবে নানাধরনের সফটঅয়্যার  ব্যবহার করা যেতে পারে। এখানে পারটিকুলার (Particular) নামের প্লাগইন ব্যবহার করে বৃষ্টি তৈরীর পদ্ধতি উল্লেখ করা হচ্ছে। এই টিউটোরিয়াল মেনে কাজ করার জন্য আপনাকেও সফটঅয়্যারটি ইনষ্টল করে নিতে হবে।

Thursday, August 4, 2011

আফটার ইফেক্টসে মায়া পেইন্ট ব্যবহার

থ্রিডি মডেলিং এবং এনিমেশন সফটঅয়্যার মায়া সম্পর্কে যারা জানেন তারা এটাও জানেন এতে পেইন্ট বলে একটি বিশেষ ব্যবস্থা আছে। ব্রাস দিয়ে যেভাবে ছবি আকার হয় সেভাবে এটা দিয়ে পেইন্ট করে থ্রিডি গাছপালা তৈরী করা যায়।  তৈরীর পর ঘাস-গাছপাতা-ফুলকে এনিমেট করা যায়। বাতাসে যেমন গাছের পাতা কাপে, কিংবা ছোট থেকে বড় হয় তেমন দেখানো যায়। কিংবা তৈরী করা যায় আকাশের মেঘ। বাতাসে সেই মেঘ ভাসতে থাকে।
আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করে মায়ার পেইন্ট ইফেক্ট তৈরী করতে পারেন কম্পোজিশনে। সেখানেও ঘাস-গাছপালা-ফুল কিংবা আকাশের মেঘ, পানির ধারা কিংবা গতিশীল আলোর রেখা তৈরী করতে পারেন।
এজন্য আপনার প্রয়োজন মায়া পেইন্ট প্লাগইন। একে ইনষ্টল করে নিন, এরপর আফটার ইফেক্টস এর অন্যান্য প্লাগইন এর মত ব্যবহার করুন।

Sunday, July 31, 2011

এডবি আফটার ইফেক্টস : আলোর ইফেক্ট তৈরী

ছবির মত এনিমেটেড আলোর ইফেক্ট নিশ্চয়ই দেখেছেন বহু যায়গায়। আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করে খুব সহজে এধরনের ইফেক্ট তৈরী করতে পারেন। এজন্য Trapcode এর তৈরী Shine নামে একটি প্লাগইন ব্যবহার করা হয়েছে।
আপনি আলোর রেখা দেখাতে পারেন বিশেষ লেয়ার তৈরী করে সেখানে (যেমন এখানে টেক্সট লেয়ার ব্যবহার করা হয়েছে) অথবা সরাসরি কোন ইমেজ বা ভিডিও থেকেই তারসাথে মিল রেখে আলোকরশ্মি তৈরী করতে পারেন।

Friday, April 15, 2011

সাউন্ড এডিটিং – মিক্সিং এর কাজ করুন এডবি সাউন্ডবুথে

এডবি সাউন্ডবুথ এডবি ক্রিয়েটিভ স্যুইট এর সাথে দেয়া একটি সফটঅয়্যার। এডবি সাউন্ডবুথ ব্যবহার করে সাউন্ড রেকর্ড, এডিট, অপটিমাইজ এবং এনহ্যান্স সব কাজই করা যাবে। এনালগ অথবা ডিজিটাল অডিও যাই হোক না কেন, মনো, ষ্টেরিও কিংবা ৫.১ অডিও, এদেরকে পৃথক পৃথক ট্রাকে রেখে প্রত্যেকেকে আলাদাভাবে কন্ট্রোল করার সুযোগ রয়েছে এই সফটঅয়্যারে।
অডিও এডিটিং এর প্রাথমিক কাজ, ট্রিমিং, ফেডিং, প্যানিং ইত্যাদি কাজ তো বটেই, সাউন্ডে যদি ক্লিক থাকে সেটাও দুর করা যায় সহজেই। যেমন রেকর্ডিং এর সময় যদি মোবাইল ফোনের শব্দ রেকর্ড হয় সেটা বাদ দেয়া যাবে। সেইসাথে অডিওকে স্পেশাল ইফেক্ট দিতে চাইলে সে ব্যবস্থাও রয়েছে। রিভার্ব, ডিসটর্শন ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে খুব সহজে।
যদি প্রফেশনাল ষ্টুডিওতে আলাদা আলাদা ভাবে রেকর্ড করা হয় তাহলে ভোকাল, বিভিন্ন ইন্সট্রুমেন্টালকে মাল্টিট্রাক হিসেবে নিয়ে একসাথে কাজ করা যায় খুব সহজেই। প্রত্যেককে পৃথকভাবে কন্ট্রোল করা যাবে।
সেইসাথে রয়েছে শতাধিক সাউন্ড স্কোর ব্যবহারের সুযোগ। খুব সহজেই সাইন্ডলুপ তৈরী করতে পারেন। অটোমেটিক বিট ডিটেকশন থাকায় কাজটি করা অনেক সহজ। এমনকি টেক্সট টু স্পিচ ফিচার ব্যবহার করে টেক্সট থেকে সাউন্ড ফাইল তৈরী করতে পারেন।

Saturday, April 9, 2011

আফটার ইফেক্টস টিউটোরিয়াল : ফ্লাশ এনিমেটেড টেক্সট

ভিডিওতে টাইটেল ছাড়াও বিভিন্ন যায়গায় টেক্সট ব্যবহার করা প্রয়োজন হয়। যেহেতু ভিডিও, সেহেতু টেক্সটও এনিমেটেড হলে নিশ্চয়ই আকর্ষনীয় হয়। যেমন টিভি বিজ্ঞাপন, কিংবা ভিডিও ডকুমেন্টারী। অনেকে এজন্য ফ্লাশ এনিমেশন পছন্দ করেন। যেমন SwishMax ব্যবহার করে খুব সহজে ফ্লাশ টেক্সট এনিমেশন তৈরী করা যায়, ফলে এই সফটঅয়্যার বেশ জনপ্রিয়।

আপনি ফ্লাশ টেক্সট এনিমেশনের এই কাজ খুব সহজে করে নিতে পারেন আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করে। এজন্য আফটার ইফেক্টস এর সাথে রয়েছে অনেকগুলি প্রিসেট। আর একেবারে নিজের পছন্দমত টেক্সট এনিমেশনের ব্যবস্থা তো রয়েছেই। প্রিসেট ব্যবহার করে ফ্লাশের মত এনিমেটেড টেক্সট কিভাবে ব্যবহার করবেন জেনে নিন।

Tuesday, April 5, 2011

এডবি আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করে এনিমেশন তৈরী

নাম থেকে আফটার ইফেক্টস (Adobe After Effects) এর কাজ সম্পর্কে ধারনা করতে পারেন, এতে ভিডিওর ওপর ইফেক্ট দেয়া যায়। কথাটা ঠিক। সাধারন একটা বাড়ির ভিডিওর ওপর আগুন দেখাতে পারেন, সাধারন পরিবেশের ভিডিওতে বৃষ্টি দেখাতে পারেন, নানারকম রঙের কম্পোজিশন তৈরী করতে পারেন। হলিউডি ছবিতে যাকিছু ইফেক্টস দেখা যায় সেগুলি করতে পারেন খুব সহজেই। কিন্তু এর কাজ শুধুমাত্র ইফেক্ট তৈরীর মধ্যে সীমাবদ্ধ না। কম্পোজিট ভিডিও তৈরীর ক্ষেত্রে এটা অতুলনীয় সফটঅয়্যার, এছাড়া সরাসরি এনিমেশনের কাজেও ব্যবহার করেন অনেকে। এমনকি ক্যারেকটার এনিমেশনের কাজেও।
কম্পোজিশনের বিষয়টি একটু জেনে নেয়া যাক। এডবির আরেক সফটঅয়্যার ফটোশপ সম্পর্কে যদি জানেন তাহলে অনায়াসে একে ফটোশপের সাথে তুলনা করতে পারেন। ফটোশপে বিভিন্ন লেয়ারে বিভিন্ন ছবি বসিয়ে নানারকম ইফেক্ট ব্যবহার করে নতুন কিছু তৈরী করা যায়। আফটার ইফেক্টসে একই পদ্ধতিতে বিভিন্ন লেয়ারে ইমেজ, ড্রইং, টেক্সট, এনিমেশন, ভিডিও ইত্যাদি বসিয়ে কম্পোজিশন তৈরতে পারেন। পার্থক্য হচ্ছে এর প্রতিটি বিষয়কে পৃথকভাবে এনিমেট করার সুবিধে।
যাদুর চাদরে করে একজন মানুষ আকাশে মেঘের মধ্যে দিয়ে উড়ে যাচ্ছে, আফটার ইফেক্টসে সহজ একটি কাজ। আপনার প্রয়োজন একজন মানুষের ছবি, একটি চাদরের ছবি এবং একটি মেঘসহ আকাশের ছবি। যদি মেঘসহ আকাশের ভিডিও না থাকে তাহলে সেটাও তৈরী করে নেয়া যায় এখানেই।
এর সবচেয়ে বেশি ব্যবহার সবসময়ই দেখছেন টিভিতে। কোন টিভি অনুষ্ঠানে যখন নাম দেখানো হয় তার অধিকাংশই তৈরী হয় আফটার ইফেক্টস ব্যবহার করে। বিষয়টি তুলনামুলক সহজ। ভিডিও বা এনিমেশনকে এক বা একাধিক লেয়ারে রেখে আরেক লেয়ারে টেক্সট ব্যবহার।
আর এনিমেশনের ক্ষেত্রে এর ব্যবহার এতটাই প্রচলিত যে নতুন ভার্শনগুলিতে ক্যারেকটার এনিমেশনের জন্য নানারকম ব্যবস্থা যোগ করা হয়েছে।
আপাতত আফটার ইফেক্টস সফটঅয়্যার কিভাবে ব্যবহার করা হয় তা সহজ একটি এনিমেশন করে দেখা যাক।